পরিবর্তনের ডাক দিলেও বঙ্গে তৃণমূলের গভীর শিকড় উপড়ে ফেলা সহজ নয়। বঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ যতই আগ্রাসী হোক না কেন, এই বাস্তব সত্যটা ভালোই বোঝে দিল্লি। বিশেষ করে বঙ্গে সংগঠনের হালও যে তলানিতে তাও জানেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এখনও বাংলার মানুষের কাছে বিজেপি 'নবীন'ই! এই অবস্থায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসেই নীতীনের সামনে এখন বড় পরীক্ষা বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। প্রশ্ন উঠছে, তিনি কি এবার বাংলায় খেলা ঘোরাতে পারবেন? আর তাই বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে নিতে ভোটের আগেই রাজ্যে এলেন নীতীন নবীন (Nitin Navin)। জানা যাচ্ছে, দু'দিনের এই সফরে রাজ্যে দলের সাংগঠনিক শক্তি বাজিয়ে দেখতে ম্যারাথন বৈঠক করবেন তিনি। আলাদা করে বৈঠক হবে রাজ্যের ৫টি সাংগঠনিক জোনের নেতৃত্বের সঙ্গেও। এছাড়াও দলের আইটি সেল, সোশাল মিডিয়া টিমের সঙ্গেও নীতীন নবীন বৈঠক করবেন বলে জানা যাচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, দু'দিনের এই সফরে রাজ্যে দলের সাংগঠনিক শক্তি বাজিয়ে দেখতে ম্যারাথন বৈঠক করবেন তিনি। আলাদা করে বৈঠক হবে রাজ্যের ৫টি সাংগঠনিক জোনের নেতৃত্বের সঙ্গেও। এছাড়াও দলের আইটি সেল, সোশাল মিডিয়া টিমের সঙ্গেও নীতীন নবীন বৈঠক করবেন বলে জানা যাচ্ছে।
সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল, দু'দফায় এবার ভোট হতে চলেছে বঙ্গে। আর এই নির্বাচনকে মাথায় রেখে ইতিমধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শাসকদল তৃণমূল। আজ মঙ্গলবার থেকেই পুরোদমে প্রচারের ময়দানে নেমে পড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মথুরাপুর থেকে প্রচার শুরু করছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। একইসঙ্গে সমাজমাধ্যমকে ব্যবহার করেও চলছে শাসকদলের প্রচার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ৩৯ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করতেই রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে। এই প্রেক্ষাপটে নীতীনের বাংলায় আসা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, বৈঠকে প্রচার-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন নীতীন। শুধু তাই নয়, প্রার্থী নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো অস্বস্তিতে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। এই সমস্ত দিকগুলিও এদিন আলোচনায় উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে সূত্রের খবর, নীতীন ফিরে যাওয়ার পরই শুরু হবে হাইভোল্টেজ প্রচার অভিযান। গোটা রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝাঁপাবেন মোদি-শাহরা। মোদির সফরের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত না হলেও আশা করা হচ্ছে রামনবমীর পরে বা ৩০ মার্চের পরে তা স্পষ্ট হবে। এই নির্বাচনী জনসংযোগে একাধিক জনসভার পাশাপাশি থাকবে রোড শো। প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের মাঝে কলকাতায় রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী। ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যেই হবে সেই রোড শো। কারণ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল। আর তার পরে দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিন হবে ২৭ এপ্রিল। শুধু তাই নয় কলকাতার পাশাপাশি মোদির রোড শো হতে পারে শিলিগুড়ি, দুর্গাপুর বা আসানসোলের মতো শহরে।
