কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারবেন সরকারি কর্মচারীরা। এরপরেও কোনও কর্মী রাজনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী এফআইআর রুজুও করা হবে। এই মর্মে রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে কড় বার্তা পাঠালেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা।
আগামী কয়েকদিন বাদেই রাজ্যে ভোট (WB Assembly Election 2026)। নির্বাচন রয়েছে আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। এবারের ভোট স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ ভাবে করতে মরিয়া কমিশন। আর তা করতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মোট আট দফা লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, সরকারি কর্মীরা যাতে প্রভাবমুক্ত, ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করে, সেই বার্তাও শহরে এসে দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুলবেঞ্চ। কিন্তু এরমধ্যেও বেশ কিছু ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে কমিশনকে। প্রশ্ন উঠছে, সরকারি কর্মীদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে।
এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসকদের কড়া বার্তা পাঠালেন মুখ্য সচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা। সম্প্রতি তিনি জেলা শাসকদের একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন। তাতে তিনি বলেছেন, যদি কোনও সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ওই কর্মীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আনা হবে। শুধু তাই নয়, এফআইআর করা হবে বলেও নির্দেশিকায় জানিয়েছেন কমিশন নিযুক্ত মুখ্যসচিব। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
জেলাশাসকদের পাঠানো নির্দেশিকা।
বার্তায় মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (WB Assembly Election 2026) অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে আট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রলোভন দেখিয়ে ভোট প্রভাবিত করা, ছাপ্পা ভোট, বুথ জ্যামিং বন্ধ করা, ভোটারদের বাড়ি থেকে বুথে যেতে বাধা দেওয়া-সহ আরও কয়েকটি। আর তা যাতে নিশ্চিত করা হয় সেই নির্দেশও মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের দিয়েছেন বলে খবর।
