SIR প্রক্রিয়ার শেষ পর্বে এসে ফের কাজ বাড়ল বিএলও-দের। সিইও দপ্তর থেকে শুক্রবারই বুথ স্তরের আধিকারিকদের নতুন কাজের কথা জানানো হয়েছে। যদিও সেটা SIR সম্পর্কিত কাজ নয়। ভোট প্রক্রিয়া সম্পর্কিত।
জানা গিয়েছে, আসন্ন বিধানসভা ভোটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ দিতে হবে বুথ লেভেল অফিসারদেরই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রের খবর, বিধি অনুযায়ী, ভোটার স্লিপ বিলি করা বিএলওদেরই কাজ। কিন্তু গত ১৫-২০ বছর ধরে ওই কাজ করেননি অনেক বিএলও। সাধারণত রাজনৈতিক দলের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ বিলি করেন। কিন্তু তাতে ভোট প্রভাবিত হতে পারে বলে মনে করছে কমিশন। সেকারণেই এবার বাধ্যতামূলকভাবে বিএলও-দের ওই কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিএলও-দের কাজ বাড়া। বা ইআরও এবং এইআরওদের নানারকম ক্ষোভ ও অসন্তোষের মধ্যেই SIR প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত কর্মীদের ভাতা অর্থাৎ পারিশ্রমিকের টাকা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবিতে মুখ্য সচিবকে চিঠি দিল সিইও দপ্তর। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, যে সমস্ত বিএলও, ইআরও বা এইআরও-দের ভাতা বা পারিশ্রমিকের টাকা এখনও মেটানো হয়নি তা অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। পুরো বিষয়টি আসলে রাজ্যের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল। সদ্যই বাজেটে একাধিক জনমোহিনী সিদ্ধান্ত নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সম্ভবত সেকারণেই এই চাপ বাড়ানোর কৌশল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এসবের মধ্যে আবার আবার রাজ্যের কয়েকটি বিধানসভায় শুনানি শেষ করতে কয়েক দিন অতিরিক্ত সময় চেয়ে কমিশনের কাছে আবেদন করলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। কিছু কিছু বিধানসভায় শুনানির কাজ এখনও শেষ হয়নি বলেই এই সিদ্ধান্ত। যদিও শুনানির দিনক্ষণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দিল্লির নির্বাচন সদন। এদিন আরও একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে, কেন বাদ কারণ জানিয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।
