কালীঘাট মন্দিরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পুজো দিয়ে ভোট প্রচার শুরু করবেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শনিবার সকালে মন্দিরে পৌঁছন শুভেন্দু। তারপর পুজো দেন তিনি। সকাল থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে মন্দির চত্বরে।
মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর ভবানীপুর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় ভোট (West Bengal Assembly Election) প্রচারে যাওয়ার কথা বিরোধী দলনেতার। এই বিধানসভায় বিজেপির আদি কর্মীদের বাড়িতে তিনি যেতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। বেলায় শুভেন্দুর নন্দীগ্রাম ফিরে যাওয়ার কথা। সেখানেও তাঁর প্রচার রয়েছে। 'ছাব্বিশের যুদ্ধে' হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এই কেন্দ্র তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। লড়াই করবেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানে বিজেপি প্রার্থী করেছে শুভেন্দুকে। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম থেকেও লড়বেন তিনি। তার আগে কালীঘাট মন্দিরে এলেন তিনি।
উল্লেখ্য, প্রার্থী ঘোষণার পরই ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়া এলাকায় জনসংযোগে যান শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে ঘিরে 'গো-ব্যাক' স্লোগান ওঠে। পালটা স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপরই থানায় যান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছে।
আরও একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) লড়াই দেখবে বঙ্গবাসী। শুভেন্দু হুঙ্কার দিয়েছেন, তিনি মমতাকে হারাবেন। তবে তাঁকে বিশেষ ‘পাত্তা’ দিতে চাইছে না তৃণমূল। শাসকদলের শক্ত ঘাঁটি ভবানীপুর। স্বয়ং মমতা বলেছেন, “ভবানীপুরে আমিই জিতব। শুধু ভবানীপুর নিয়ে ভাবছি না, রাজ্যজুড়ে জয় নিয়ে ভাবছি। ভবানীপুর সেই জয়কে নেতৃত্ব দেবে।” লড়াই কতটা জোরদার হবে তা সময় বলবে। কিন্তু উত্তেজনা যে থাকবে তা বলাই বাহুল্য।
