ভবানীপুরের 'ঘর' থেকেই ছাব্বিশের নির্বাচনী (West Bengal Assembly Election) লড়াইয়ের প্রচার শুরু করছেন 'ঘরের মেয়ে' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রবিবার সন্ধ্যায় চেতলায় কর্মিসভার মধ্যে দিয়ে মেগা প্রস্তুতি শুরু করছেন তিনি। সূত্রের খবর, চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কর্মিসভার ডাক দেওয়া হয়েছে। থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও ভবানীপুরের সমস্ত দলীয় কাউন্সিলর। নির্বাচনী রণকৌশল স্থির হওয়ার পাশাপাশি ভবানীপুরের প্রচার কৌশল নিয়ে দিশা দিতে পারেন দলনেত্রী তথা ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবেই প্রচার শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। ভবানীপুরের 'ঘরের মেয়ে' রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভার ডাক দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এসআইআরে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের নাম বাদ পড়েছে। সেই আবহে কীভাবে এসআইআর-কে হাতিয়ার করে দলনেত্রী প্রচার কৌশল স্থির করবেন, তা নিয়ে রবির কর্মিসভায় আলোচনার সম্ভাবনা।
২০২১ সালের উপনির্বাচন থেকে ভবানীপুর জুড়ে একটাই স্লোগান শোনা গিয়েছে - 'উন্নয়ন ঘরে ঘরে/ ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে।' ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় এই কেন্দ্র থেকে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম শুনেই ফের ভবানীপুরবাসী ফিরিয়ে এনেছেন সেই স্লোগান। দিকে দিকে হোর্ডিং, ব্যানার টাঙানো শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে এতগুলো বছর ধরে ভবানীপুরে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরা হচ্ছে।
দিন দুই আগেই দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে প্রচার কৌশল একপ্রকার ঠিক করে দিয়েছেন। জোর দেওয়া হয়েছে দুয়ারে জনসংযোগে। প্রয়োজনে এক বাড়িতে ১০বার যাওয়ার কথা বলা হয়েছে কর্মীদের। এই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিপক্ষ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফলে ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুর সবচেয়ে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নিঃসন্দেহে। এখানে বিরোধীদের প্ররোচনায় পা না দিয়ে ঘাসফুল শিবির যেন পুরোপুরি নিজস্ব ছন্দে প্রচার চালায়, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এসবের পর রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবেই প্রচার শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। ভবানীপুরের 'ঘরের মেয়ে' রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভার ডাক দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এসআইআরে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের নাম বাদ পড়েছে। সেই আবহে কীভাবে এসআইআর-কে হাতিয়ার করে দলনেত্রী প্রচার কৌশল স্থির করবেন, তা নিয়ে রবির কর্মিসভায় আলোচনার সম্ভাবনা। এ বিষয়ে প্রচারকদের নির্দিষ্ট সুর বেঁধে দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সোমবার থেকে জেলায় জেলায় প্রচার শুরু করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তার আগে ভবানীপুরে, নিজের কেন্দ্র থেকেই শুরু করে দিচ্ছেন তিনি।
