ভোটের (West Bengal Assembly Election) বাদ্যি কার্যত বেজে গিয়েছে! খুব জোর ১ মাস। তারপরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে মহিলা ভোট ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল। সেই লক্ষ্যেই দোলের দিন থেকেই নানা কর্মসূচি নিল রাজ্যের শাসক দল। ‘বসন্ত আজ বঙ্গে, মহিলাদের সঙ্গে'--নাম দিয়ে নয়া কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তৃণমূল। এই ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার সর্বস্তরের মহিলাদের জন্য কী কী করেছে, তা নিয়ে প্রচার চালানো হবে। তবে তৃণমূলের দাবি, এই কর্মসূচি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়।
মার্চ মাসের ৩ তারিখ দোল পূর্ণিমা। সেই দিনই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবির খেলে জনসংযোগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪ তারিখ হোলির দিন রক্তদান শিবির করা হবে। মূলত জেলা সদরে এই কর্মসূচি নেওয়া হবে। তারপর মহিলাদের উন্নয়নে রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প কী কী সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে সেই কথা তুলে ধরে প্রচার চালানো হবে।
অন্যদিকে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস। মহিলা দিবসকে সামনে রেখে দু'দিন কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল (TMC)। ৭ তারিখ জেলা সদরগুলিতে মিছিল করা হবে। 'ন্যায়, সম্মান সঙ্গে শান্তি, তার সঙ্গে আশা, নারী ক্ষমতায়নে দিদিই ভরসা', এই ব্যানারে মিছিল করা হবে। কলকাতায় সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল হবে। অন্যদিকে ৮ মার্চ 'লক্ষ্য ঘরে লক্ষ্মীরা', কর্মসূচি নিয়ে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের কর্মীরা।
মার্চ মাসের ৩ তারিখ দোল পূর্ণিমা। সেই দিনই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবির খেলে জনসংযোগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪ তারিখ হোলির দিন রক্তদান শিবির করা হবে। মূলত জেলা সদরে এই কর্মসূচি নেওয়া হবে।
প্রথমদিনে রাজ্যে ৩ হাজার ৩৫৪টি অঞ্চলের মধ্যে প্রতিটিতে অঞ্চলের ২০টি বাড়িতে ও ১২৮টি পুরসভার ২ হাজার ৯৯৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডের ১০টি বাড়িতে যাওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সেখানে মহিলাদের জন্য রাজ্য সরকারের গ্রহণ করা বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরা হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী-সহ একাধিক প্রকল্পের কথা তুলে ধরা হবে বলে জানা গিয়েছে।
মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, "এটা এমন নয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে করা হচ্ছে। অনেকে বলছে ভোটের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। মানুষের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত। নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচেষ্টা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য এই কর্মসূচি।"
