shono
Advertisement
Mamata Banerjee

'জতুগৃহ' নাজিরাবাদে কেন যাননি? বিধানসভায় দাঁড়িয়ে জবাব দিলেন মমতা

'ভোটে অনেক আসন হারাবেন আপনারা', বিরোধীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য মমতার।
Published By: Sayani SenPosted: 02:36 PM Feb 05, 2026Updated: 03:14 PM Feb 05, 2026

কলকাতা হোক কিংবা রাজ্যের যেকোনও প্রান্তে কোনও বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটলে সেখানে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে বহু মানুষের মৃত্যুর পরেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদের অগ্নিদগ্ধ কারখানা চত্বরে যাননি তিনি। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চলছে জোর তরজা। কেন গেলেন না ওই এলাকায়, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কারণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

তিনি বলেন, "ওইদিন ২৬ জানুয়ারি ছিল। আগে থেকেই অনেক কর্মসূচি থাকে। সারাদিন ব্যস্ততা থাকে। সবাই জানেন। রাতে রাজ্যপালের ওখানে কর্মসূচি থাকে। আমি না গেলেও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে স্থানীয় বিধায়ক এবং অন্যরা গিয়েছেন। পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।"

 

ওইদিন ২৬ জানুয়ারি ছিল। আগে থেকেই অনেক কর্মসূচি থাকে। সারাদিন ব্যস্ততা থাকে। সবাই জানেন। রাতে রাজ্যপালের ওখানে কর্মসূচি থাকে। আমি না গেলেও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে স্থানীয় বিধায়ক এবং অন্যরা গিয়েছেন। পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

 

বিরোধীদের উদ্দেশে মমতা (Mamata Banerjee) বলেন, "শুনুন আমাদের নিন্দা করে কিছু হবে না। বাংলা হিরো ছিল হিরোই থাকবে। বাংলার মানুষ আপনাদের ধিক্কার জানায়।" ফের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, "কথায় কথায় ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা বলেন তার হাল দেখুন। আর আমরা আর্থিক বঞ্চনার পরেও কি কাজ করছি সেটা দেখুন। এক টাকাও কোন প্রকল্পে দেন না আবার বড় বড় কথা বলেন।" বিরোধীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, "বিরোধীদের শুভেচ্ছা জানাই। সবাই ভালো থাকবেন এবং এটাও জেনে রাখবেন আগামী ভোটে অনেক আসন হারাবেন আপনারা।"

বিরোধীদের শুভেচ্ছা জানাই। সবাই ভালো থাকবেন এবং এটাও জেনে রাখবেন আগামী ভোটে অনেক আসন হারাবেন আপনারা।


উল্লেখ্য, প্রতিদিনের মতো গত ২৫ জানুয়ারি, আনন্দপুরের নাজিরাবাদের কারখানা, গুদামে কর্মীদের আনাগোনা লেগে ছিল। ভোররাতের দিকে আচমকাই লেলিহান শিখা গ্রাস করে কারখানা এবং গুদাম। ভিতরে আটকে পড়েন কর্মীরা। সেই অবস্থায় প্রাণ হারান তাঁরা। একে একে মোট ২৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়। দেহাংশের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হয়। বলে রাখা প্রয়োজন, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রশ্নে মুখে বিখ্যাত মোমো  প্রস্তুতকারক সংস্থা। ঘটনার প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর এই বিষয়ে সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। সোশাল মিডিয়া পোস্টে সংস্থার তরফে দায় চাপানো হয় পাশের গুদামের উপর। নিহত ৩ কর্মীর পরিবারের পাশেও দাঁড়ায় মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement