গ্যাসে বসানো ফ্রাইং প্যান। তা অতিরিক্ত গরম হয়ে গিয়েছে তা টের পাননি রাঁধুনি। বোঝার আগে তেল দিয়ে দেন। আর তাতেই বিপত্তি। আগুন ধরে যায়। তা গিয়ে পৌঁছয় সিলিংয়ে। নিমেষেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ায় ভরে যায় শিয়ালদহ স্টেশন এবং স্টেশন চত্বর সংলগ্ন এলাকা। প্রাথমিক তদন্তের পর সোমবার সকালের অগ্নিকাণ্ডের কারণ ব্যাখ্যা করলেন দমকল আধিকারিকরা। এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই চত্বরে উপস্থিত সকলেই। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে যথেষ্ট। আপাতত বন্ধ ওই খাবারের দোকান।
৩১ আগস্ট, শিয়ালদহ স্টেশনের অগ্নিদগ্ধ খাবারের দোকান। ছবি: অমিত মৌলিক
জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিট আগুন লেগে যায়। মুহূর্তে ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা স্টেশন চত্বর। খবর দেওয়া হয় দমকলে। সঙ্গে সঙ্গে তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। তবে ধোঁয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তাঁদের দাবি, স্টেশনের কাছের পাইপলাইন থেকে জল পাননি দমকল আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, ওই খাবারের দোকানের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও যথাযথ ছিল না বলেও জানান তাঁরা। যদিও জলের অভাবের অভিযোগ প্রসঙ্গে কিছুই বলতে নারাজ শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা।
ওই খাবারের দোকানটিতে এই প্রথমবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নয়। এর আগেও একবার আগুন লাগে। আপাতত দোকানটির লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অগ্নি নির্বাপণ ব্য়বস্থা-সহ সব কিছু খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদি কোনও গাফিলতি ধরা পড়ে সেক্ষেত্রে লাইসেন্স বাজেয়াপ্তর মতো কঠোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলেই খবর।
