হাসনাবাদে উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড ও ইডির অভিযান। খারিজি মাদ্রাসার যুক্ত আবদুল্লা গাজির বাড়িতে তল্লাশি। শনিবার রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়াণপুর এলাকায় একটি বাড়িতে বিস্ফোরণ। এ দিনের ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি রাজ্যজুড়ে সক্রিয় কোনও জেহাদি চক্র? কাদের প্রশয়ে এই দেশবিরোধী কার্যকলাপ? এবার তদন্তে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজারহাটের বাড়িতে কোথা থেকে এল বিস্ফোরক, কীভাবে বিস্ফোরণ, নেপথ্যে কারা? খতিয়ে দেখবে এনআইএ।
রাজারহাটে বিস্ফোরণস্থলে এনআইয়ের আধিকারিকরা। নিজস্ব চিত্র
২ জন কয়েকদিন আগে ওই বাড়ির একটি ঘর ভাড়া নেন। গতকাল রাতে তাঁদের মধ্যে একজন ওই ঘরে একটি সাদা ব্যাগ নিয়ে আসেন। ব্যাগটি রেখে বেরিয়ে আসার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের সেই মুহূর্তের ভিডিও সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, বোমা ফেটে বিস্ফোরণ হয়েছে। বিস্ফোরণের পরে ঘটনাস্থলে প্রচুর সুতলি বোমা পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। আগে থেকে ওই ঘরে বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাদা ব্যাগে করেও বোমা আনা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করছেন ওই বাড়ির অন্যান্য ভাড়াটেরা। এরপরই তদন্তে নেমেছে এনআইএ।
রাজ্যের বিভিন্ন বিস্ফোরণের তদন্তভার গিয়েছে এনআইয়ের হাতে। তৃণমূল আমলে অভিযুক্তদের প্রশয় দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। কেন্দীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার দাবি করেছেন বদলে গিয়েছে বাংলার একাংশের জনবিন্যাস। সেই বদলে যাওয়া জনবিন্যাস পিছনে কি রয়েছে নিখুঁত পরিকল্পনা? অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে মিশে রয়েছে জেহাদিরা? রাজারহাটের বিস্ফোরণ আবার সেই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বর্তমান বিজেপি সরকার সেই চক্র ভাঙতে সক্রিয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই কড়া বার্তা দিয়েছেন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা মিলে নজর রাখবে। সেই মোতাবেক জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে তৎপর হয়ে উঠেছে প্রশাসন।
