shono
Advertisement
CJP

'মোদি মাস্ট রিজাইন', ধর্মেন্দ্রর পর এবার প্রধানমন্ত্রীর ইস্তফার দাবি 'আরশোলা'দের

২১ দিন ধরে অনশন চালানোর পর শনিবার সকালে জোর করে সোনম ওয়াংচুককে দিল্লি পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। মঞ্চে পর্দা ঢেকে পুলিশের এহেন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:44 PM Jul 18, 2026Updated: 06:03 PM Jul 18, 2026

২১ দিন ধরে অনশন চালানোর পর শনিবার সকালে জোর করে সোনম ওয়াংচুককে দিল্লি পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। মঞ্চে পর্দা ঢেকে পুলিশের এহেন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এতদিন ধরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে যে আন্দোলন চলছিল সেটাই এবার মোড় ঘোরাল প্রধানমন্ত্রীর দিকে। শনিবার সোশাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠল 'ককরোচ জনতা পার্টি'।

Advertisement

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ-সহ পাঁচ দাবিতে গত ২১ দিন ধরে যন্তর-মন্তরে অনশন করছিলেন সোনম। শুক্রবার ওয়াংচুক বলেছিলেন, ”ডাক্তারি পরীক্ষা অনুযায়ী আমারর শরীর দুর্বল ঠিকই, কিন্তু মৃত্যু হওয়ার মতো অবস্থা এখনও তৈরি হয়নি। দেশবাসীর কাছে আমার আর্জি আগামী ২০ জুলাই সংসদ অভিযান সফল করুন। যদি এই অভিযান সফল হয় তবেই আমি এই অনশন ভাঙতে পারব।” কিন্তু তার আগেই শনিবার সকালে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। পুলিশের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে ‘প্রয়োজনীয় চিকিৎসার’ জন্য ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পর পুলিশ যন্তর মন্তরে সমবেত বিক্ষোভকারীদের কাছে আহ্বান জানায় যেন তারা দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করেন।

পুলিশের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে ‘প্রয়োজনীয় চিকিৎসার’ জন্য ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তবে পুলিশের এহেন আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সোনম ওয়াংচুককে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করার খবর সামনে আসার পর সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এদিন বলেন, 'এখন আমাদের দাবি হল নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে।' পাশাপাশি ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেলেও লেখা হয়েছে, 'মোদি মাস্ট রিজাইন'। অর্থাৎ, 'মোদিকে ইস্তফা দিতেই হবে।'

এদিকে সোনমের উপর পুলিশি বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন বিরোধী দলে নেতৃত্বরা। কেন্দ্রের এহেন আচরণকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন' বলেছেন শরদ পওয়ার। আপ-এর রাজ্যসভা সাংসদ সঞ্জয় সিং কেন্দ্রকে তুলোধোনা করেছেন। তাঁর তোপ, 'বাদল অধিবেশন শুরু আগে দিল্লির সোনমকে গ্রেপ্তারের জন্য দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে বদলি করা হয়েছে। অধিবেশনের মাঝে প্রতিবাদ চাইছে না সরকার। এটা স্বৈরাচার। ছাত্রছাত্রীদের প্রশ্নের কোনও উত্তর সরকারের কাছে নেই, উল্টো তাদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে।' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা এবং সুস্থতা নিয়ে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। উনি তো শুধু সরকারের সঙ্গে আলোচনা চেয়েছিলেন। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে অনশন করেও সরকারের নীরবতা ছাড়া কিছুই পাননি। ঠিক যেভাবে দেশের হাজার হাজার ছাত্র-যুবর প্রশ্নে সরকার নীরব রয়েছে, সেভাবেই। গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত। এভাবে নীরব থাকা যায় না।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement