হাতে কয়েকদিনের ছুটি? ধারে কাছে কোনও ধর্মস্থানে ঘুরতে চাওয়ার পরিকল্পা করছেন? চলে যেতে পারেন কালনার ১০৮ শিবমন্দিরে। যা নবকৈলাস নামেই পরিচিত। এই সাদা-কালো শিবের টানে বছরের পর বছর, এই মন্দির দর্শনে আসেন দেশ-বিদেশের পর্যটকরা। সম্প্রতি স্পেনের ২২ পর্যটক এসেছিলেন ঐতিহ্যে মোড়া এই নবকৈলাসে। মন্দির দেখে মুগ্ধ তাঁরা। ঘুরে আসুন আপনিও।
কালনার নবকৈলাসে স্প্যানিশ পর্যটকরা। নিজস্ব ছবি
বর্ধমান ও কালনার ১০৮ টি শিবমন্দির সারাদেশে অত্যন্ত পরিচিত। ১৮০৯ সালে কালনায় এই মন্দির তৈরি করেন মহারাজ তেজচন্দ্র বাহাদুর। এই ১০৮ মন্দিরকে একত্রে ‘নবকৈলাস’ বলা হয়। মন্দিরের কারুকার্য ও গঠনশৈলী নজরকাড়া। যা পর্যটকদের বারবার টানে। এখানে দুটি বৃত্তাকারের বাইরের অংশে ৭৪টি ও ভিতরের অংশে ৩৪টি শিবমন্দির রয়েছে। মন্দিরগুলিতে সাদা ও কালো শিবলিঙ্গ রয়েছে। প্রতিবছর শিবরাত্রির দিন হাজার-হাজার ভক্ত শিবের মাথায় জল ঢালেন এই মন্দিরেই। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত রঙের আলোয় সাজানো হচ্ছে মন্দির চত্বর। বছরের বিশেষ দিনগুলিতে তেরঙা আলোয় আলোকিত হবে চারপাশ। এই কাজে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানান উপপুরপ্রধান তপন পোড়েল। সদ্যই মন্দির পরিদর্শনে এসেছিলেন স্প্যানিশ পর্যটকরা।
কালনার নবকৈলাসে স্প্যানিশ পর্যটকরা। নিজস্ব ছবি
এবিষয়ে গাইড অদ্রিজা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ মন্দিরের গঠনশৈলী ও সাদা ও কালো শিবলিঙ্গের বৈচিত্র্য নিয়ে স্প্যানিশ পর্যটকরা ভীষণ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইংরাজিতে তাদের বিষয়টা বোঝানো হয়েছে। সাদা শিব মঙ্গল ও শান্তির প্রতীক এবং কালো শিব আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক।”
