প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Narendra Modi) হত্যার ষড়যন্ত্র! এই অভিযোগে বিহার পুলিশ বক্সার জেলা থেকে অমল কুমার তিওয়ারি-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্তরা তহবিলের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। শুধু তাই নয়, এই পরিকল্পনার জন্য একটি সময়সীমাও নির্ধারণ করেছিল। তাদের কাছ থেকে যে ল্যাপটপগুলি উদ্ধার হয়েছে সেগুলি ফরেনসিক তদন্তে পাঠানো হয়েছে। একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। যারা ধৃতদের সঙ্গে বিদেশি যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে। তবে আটক যুবকদের পরিবারের তরফে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে তারা কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।
গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে বক্সার জেলার পুলিশ সিমরি থানার অন্তর্গত আশা পারারি গ্রামে অভিযান চালায়। সেখান থেকে অমল কুমার ও আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গোপনীয় তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করছিল এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং অভিযুক্তদের জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে একটি সুরক্ষিত স্থানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমান কুমার মার্কিন সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিকে (সিআইএ) একটি বার্তা পাঠিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ চান বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এমনটাই দাবি তাঁদের।
জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর উপর হামলা চালানোর জন্য ২২ দিন সময় চাওয়াও হয়েছিল। এই ঘটনার জেরে উদ্বেগ বেড়েছে গোয়েন্দাদের। এরপরই একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়। তদন্তকারীরা বিদেশি সংযোগ খুঁজে বের করতে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছেন। ঘটনায় হতবাক অমল কুমারের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁর মায়ের অভিযোগ, সাদা পোশাকে পুলিশ রাতে এসে কোনও কারণ না জানিয়েই তুলে নিয়ে যায়। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
