shono
Advertisement
Strait of Hormuz

হরমুজে নিজেদের পাতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান! শান্তিবৈঠকের আগে চাঞ্চল্যকর দাবি আমেরিকার

আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার পরে পালটা হামলার পাশাপাশি হরমুজ অবরুদ্ধের কৌশল নিয়েছিল ইরান। হরমুজ প্রণালী জুড়ে মাইন পেতে রেখেছিল তারা। সেই মাইনই এখন চূড়ান্ত অস্বস্তিতে ফেলেছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর দেশকে।
Published By: Kishore GhoshPosted: 12:25 PM Apr 11, 2026Updated: 01:11 PM Apr 11, 2026

আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার পরে পালটা হামলার পাশাপাশি হরমুজ ( Strait of Hormuz) অবরুদ্ধের কৌশল নিয়েছিল ইরান। হরমুজ প্রণালী জুড়ে মাইন পেতে রেখেছিল তারা। সেই মাইনই এখন চূড়ান্ত অস্বস্তিতে ফেলেছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর দেশকে। এখন হরমুজ উন্মুক্ত করতে চাইলেও পেরে উঠছে না। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে মার্কিন আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হরমুজে নিজেদের পাতা মাইনই চিহ্নিত করতে পারছে না তেহরান। সেগুলিকে অপসারণ করার মতো কারিগরি সক্ষমতাও তাদের নেই। সেই কারণে আমেরিকার শর্ত মেনে সব জাহাজের জন্য হরমুজ খুলে দিতে চাইলেও কার্যক্ষেত্রে পেরে উঠছে না তারা।

Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান হামলা চালায়। পালটা মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের মার্কিনঘাঁটিতে আক্রমণ করে তেহরান। এইসঙ্গে বিশ্বের তেলের ধমনী হরমুজ অবরুদ্ধ করার কৌশল নেয় খামেনেইর দেশ। হরমুজ প্রণালীর দখল নিয়ে এই কাজে নামে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী। ছোট নৌকা ব্যবহার করে জলপথে মাইন পুঁতে রাখতে শুরু করে তারা। চিহ্নিত একটি পথ খোলা রাখা হয়েছিল। সেখান দিয়েই এখনও ইরানের অনুমতি সাপেক্ষে বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করছে। এদিকে দু'সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতিতে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে হরমুজ উন্মুক্ত করতে চাইছে তেহরানও। কিন্তু সেই কাজে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান হামলা চালায়। পালটা মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের মার্কিনঘাঁটিতে আক্রমণ করে তেহরান। এইসঙ্গে বিশ্বের তেলের ধমনী হরমুজ অবরুদ্ধ করার কৌশল নেয় খামেনেইর দেশ।

নিউ ইয়র্ক টাইমসকে মার্কিন আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জলে মাইন পাততে এবং তা সরিয়ে নিতে যে কৌশল এবং দক্ষতার প্রয়োজন হয়, ইরানের তা নেই। এছাড়াও এলোমেলো ভাবে মাইন পোঁতা এবং তা পোঁতার সময় রেকর্ড না করায় সমস্যা বেড়েছে। জলের ধাক্কায় তা পূর্বের অবস্থান থেকে সরে গিয়েছে কিনা, এই সন্দেহও তৈরি হয়েছে। মার্কিন আধিকারিকদের দাবি, বিপজ্জনক মাইনগুলি নজরে রাখার কোনও ব্যবস্থাও রাখেনি ইরান। সব মিলিয়ে হরমুজকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, শনিবার বহু প্রতিক্ষিত ইরান-আমেরিকা শান্তিবৈঠক। ইতিমধ্যে পাকিস্তানে পৌঁছে গিয়েছে ইরানের ৭০ জনের প্রতিনিধিদল। দলের নেতৃত্বে আছেন দেশটির বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ। তেহরান সঙ্গে এনেছে অর্থনীতি, নিরাপত্তা, রাজনীতি এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞও। শনিবার ভোরে ইসলামাবাদে নেমেছে মার্কিন বিশেষ বিমানও। আমেরিকার প্রতিনিধি দলে রয়েছেন খোদ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার। সমঝোতার আগে আমেরিকাকে কয়েকটি পূর্বশর্ত দিয়েছে ইরান।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement