পয়লা বৈশাখ পেরলেই ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ কড়া নাড়বে দরজায়। এ সপ্তাহ পেরলেই রাজ্যে প্রথম দফার ভোট (Bengal Election 2026)। হাতে মেরেকেটে দিন দশেক। তার আগে প্রার্থীদের 'লাস্ট মিনিটস সাজেশন' দিতে মঙ্গলবার রাতে ভারচুয়াল বৈঠকের ডাক দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
সূত্রের খবর, এদিন রাত ৮টা নাগাদ দলের সমস্ত প্রার্থী, বর্ষীয়ান নেতৃত্ব ও সাংসদদের নিয়ে ভারচুয়াল বৈঠকে বসবেন তিনি। প্রথম দফায় ১৫২ টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিতে পারেন অভিষেক। এছাড়া এই বৈঠকে আইপ্যাক ডিরেক্টরের গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গও উঠতে পারে।
সূত্রের খবর, এদিন রাত ৮টা নাগাদ দলের সমস্ত প্রার্থী, বর্ষীয়ান নেতৃত্ব ও সাংসদদের নিয়ে ভারচুয়াল বৈঠকে বসবেন তিনি। প্রথম দফায় ১৫২ টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিতে পারেন অভিষেক। এছাড়া এই বৈঠকে আইপ্যাক ডিরেক্টরের গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গও উঠতে পারে। প্রচারের বাকি দিনগুলোয় অন্যান্য ইস্যুর সঙ্গে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে জনতার দুয়ারে তুলে ধরার জন্য প্রার্থীদের পরামর্শ দিতে পারেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
ভোটের (Bengal Election 2026) একমাস আগে থেকেই রাজ্যে প্রচারে ঝড় তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। জেলায় ঘুরে ঘুরে টানা প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে প্রচারসূচি রয়েছে অভিষেকের। কোচবিহারে জনসভা ও ময়নাগুড়িতে রোড শো করবেন। প্রথম দফার ভোটে উত্তরবঙ্গই এখন পাখির চোখ শাসক শিবিরের। তাই এক সপ্তাহ আগেও এখানেই প্রচারের ঝাঁজ আরও বাড়িয়ে তুলছেন মমতা-অভিষেক। এদিন উত্তরবঙ্গে প্রচার সেরেই অভিষেক কলকাতায় ফিরছেন এবং তারপর রাতে ভারচুয়াল বৈঠকে বসবেন। সূত্রের খবর, দলের সমস্ত প্রার্থীদের ভারচুয়াল বৈঠকে যোগ দিতে বলেছেন তৃণমূলের 'সেকেন্ড ইন কমান্ড'। থাকবেন দলের সাংসদ এবং বর্ষীয়ান নেতারাও। ভোটযুদ্ধে ঝাঁপাতে প্রার্থীদের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিতে পারেন অভিষেক, এমনই মনে করা হচ্ছে।
আরও একটি বিষয়েও আলোচনা হতে পারে অভিষেকের ভারচুয়াল বৈঠকে। এই মুহূর্তে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল গ্রেপ্তার হয়ে ইডি হেফাজতে রয়েছেন। সোমবার রাতে গ্রেপ্তারির পর রাতেই তাঁকে পাতিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ করে ১০ দিনের হেফাজতে নিয়েছে ইডি। সুষ্ঠুভাবে বাংলার নির্বাচন পর্বকে বানচাল করার অসৎ উদ্দেশে তাঁর এই গ্রেপ্তারি বলে অভিযোগ তুলছে তৃণমূল। সেই বিষয়টিও শেষ মুহূর্তে প্রচারের কাজে লাগানো হতে পারে।
