চলতি সপ্তাহেই দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে বিজেপি। প্রায় দেড়শো নামের এই তালিকাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে। প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় একজনও মুসলিম প্রার্থীকে টিকিট না দেওয়ায় বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। ফলে দ্বিতীয় তালিকায় সেই অবস্থান বদলায় কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
দ্বিতীয় তালিকায় মাফুজা খাতুনের নাম ঘিরে কিছু জল্পনা তৈরি হলেও, দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত—তাঁকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা খুবই কম। এর ফলে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে বিজেপির অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে প্রার্থী বাছাই চূড়ান্ত করতে দিল্লিতে টানা বৈঠক চালাচ্ছেন শীর্ষ নেতৃত্ব। মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপি নেতাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। প্রথমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক হয়। পরে রাতে প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার বাড়িতে দীর্ঘ বৈঠক চলে গভীর রাত পর্যন্ত। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-ও।
এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা-সুনীল বানসল ও বিপ্লব দেব উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের দাবি, অধিকাংশ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিলমোহর পড়বে বুধবার নরেন্দ্র মোদি-র উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পেতে পারে বহু প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা, যা রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
