পানিহাটির সিপিএম প্রার্থী হওয়ার পরই অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেন কলতান দাশগুপ্ত। সেই সময় বিষয়টিকে মোটেও ভালোভাবে নেননি অভয়ার বাবা-মা। আর জি করের নির্যাতিতা তরুণীর মা-ই এখন পা রেখেছেন রাজনীতির ময়দানে। পদ্মশিবিরের 'সৈনিক' তিনি। ওই একই কেন্দ্রের পদ্মশিবিরের প্রার্থী তিনি। প্রার্থী হওয়ার পর বৃহস্পতিবার থেকে প্রচার শুরু করলেন অভয়ার মা। বিপক্ষের সিপিএম প্রার্থীকে বার্তাও দিলেন তিনি।
এদিন সকালে বিজেপি অফিসে গিয়ে নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন অভয়ার বাবা ও মা। তবে কী কথা হয়েছে তাঁদের, তা জানা যায়নি। এরপর স্থানীয় মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর বিধানসভা এলাকার একাধিক বাড়িতে ঘুরে ঘুরে ভোট প্রার্থনা করেন। প্রচারে বেরিয়ে অভয়ার মা বলেন, "মনে যে কষ্ট আছে, তা প্রকাশ করব না। আমার মেয়ের সুবিচারের আন্দোলনের সঙ্গে বড় দায়িত্ব নিয়েছি। এবার লক্ষ্য গোটা বাংলার মেয়েদের সুরক্ষা। সেটাই করব। তবে সাধারণ মানুষ পাশে না থাকলে আমি কিছুই করতে পারব না।"
প্রতিদ্বন্দ্বী কলতান দাশগুপ্তের উদ্দেশে অভয়ার মা বলেন, "কলতান আমার ছেলের মতো। ওকে আর কিছু বলব না। ও যা ভালো বুঝেছে করেছে।"
ভোটপ্রচার শেষে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কলতান দাশগুপ্তের উদ্দেশে অভয়ার মা বলেন, "কলতান আমার ছেলের মতো। ওকে আর কিছু বলব না। ও যা ভালো বুঝেছে করেছে।" বলে রাখা ভালো, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট, আর জি কর হাসপাতাল থেকে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের দেহ। অভয়ার সুবিচারের দাবিতে শুরু হয় জোর আন্দোলন। রাতের পর রাত দখলের সাক্ষী হয় কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। আট থেকে আশি প্রায় সকলেই আন্দোলনে শামিল হন। প্রতিবাদে পথে নামেন কলতান। যদিও অভয়ার মায়ের উদ্দেশে প্রতিক্রিয়া দিতে নারাজ সিপিএম প্রার্থীও। তিনি বলেন, “আমার কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। যে কেউ রাজনীতি করতে পারে।”
