রাজ্যে ভোটের আগে এসআইআরের কাজ শেষে সোমবার মধ্যরাতে প্রথম দফার অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এখনও অনেকের নাম সেই তালিকায় নেই। কারও কারও নাম মুছে গিয়েছে। এই অবস্থায় চিন্তা যেন দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে তাঁদের। শুধু আমজনতা নয়, অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদেরও। এই তালিকায় নাম রয়েছে উত্তরপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী তথা তৃণমূল সাংসদের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নাম এখনও বিচারাধীন। কীভাবে মনোনয়ন জমা দেবেন, তা নিয়ে চিন্তিত প্রার্থী। তাঁর খোঁচা, নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে এই যে মানসিক অত্যাচার করছে সেটা অমার্জনীয়।
শীর্ষণ্য বন্দোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘আমার নাম এখন আন্ডার অ্যাজুডিকেশনে রয়েছে। বাংলার হাজার হাজার মানুষের মতো তাই খুব সাধারণ একটা চিন্তা রয়েই যাচ্ছে। এখনও মনোনয়নের দেরি আছে। তাই আশা করা যায়, তার মধ্যে আমার নাম ভোটার তালিকায় এসে যাবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে এই যে মানসিক অত্যাচার করছে সেটা অমার্জনীয়।’’
হুগলির উত্তরপাড়া আসনে ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষণ্য। এই আসনে এতদিন বিধায়ক ছিলেন টলি অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। তবে এবার আর তাঁকে টিকিট দেয়নি শাসকদল। তাঁর বদলে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন শ্রীরামপুরের শীর্ষণ্য। কিন্তু তাঁর নাম ভোটার তালিকায় বিচারাধীন। সোমবার রাতে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর তা দেখা যায়।
এনিয়ে নির্বাচন কমিশনকে SIR নিয়ে বিস্ফোরক তোপ দেগেছেন শীর্ষণ্য বন্দোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘আমার নাম এখন আন্ডার অ্যাজুডিকেশনে রয়েছে। বাংলার হাজার হাজার মানুষের মতো তাই খুব সাধারণ একটা চিন্তা রয়েই যাচ্ছে। এখনও মনোনয়নের দেরি আছে। তাই আশা করা যায়, তার মধ্যে আমার নাম ভোটার তালিকায় এসে যাবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে এই যে মানসিক অত্যাচার করছে সেটা অমার্জনীয়।’’ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য এখনও হাতে সময় আছে। তবে ‘বিচারাধীন’ তালিকায় থাকার কারণে কী করে মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে তা নিয়ে চিন্তায় দিন কাটছে তাঁর।
শীর্ষণ্যর আরও দাবি, বিজেপির চক্রান্তেই অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। এখনও ঝুলে রয়েছে অনেকের নাম। এরকম চলতে থাকলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে হবে বা আদালতে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিচারাধীন তালিকায় থাকা নামগুলি দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে। এর আগে বাবার হয়ে প্রচারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে এবারই প্রথমবারের জন্য প্রার্থী হয়েছেন শীর্ষণ্য। এতদিন আদালতে লড়াই করেছেন তিনি। এবার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে নিজের জন্যই কি আদালতে যেতে হবে? প্রশ্ন প্রার্থীর।
