ভোটের মুখে জনসংযোগে একাধিক নয়া কর্মসূচি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দলের এসসি, এসটি, ওবিসি সেলের নেতৃত্বকে নিয়ে ‘তফসিলির সংলাপ’ সম্মেলনের ডাক দিলেন তিনি। ২ মার্চ নজরুল মঞ্চে এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচির সূচনা করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূল সূত্রে খবর, নজরুল মঞ্চের এই অনুষ্ঠান থেকেই কর্মসূচির রূপরেখা এবং রণকৌশল নির্দিষ্ট করে দেবেন অভিষেক। প্রতিটি জেলা ও ব্লকের নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে, কীভাবে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে আদিবাসী ও তফসিলি জাতি-উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষজনের সঙ্গে 'সংলাপ' চালাবেন।
২ মার্চ নজরুল মঞ্চে এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচির সূচনা করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূল সূত্রে খবর, নজরুল মঞ্চের এই অনুষ্ঠান থেকেই কর্মসূচির রূপরেখা এবং রণকৌশল নির্দিষ্ট করে দেবেন অভিষেক। প্রতিটি জেলা ও ব্লকের নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে, কীভাবে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে আদিবাসী ও তফসিলি জাতি-উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষজনের সঙ্গে 'সংলাপ' চালাবেন।
এর আগে নির্বাচনের আগে জনসংযোগ আরও নিবিড় করে তুলতে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ বা ‘তৃণমূলে নবজোয়ার’-এর মতো কর্মসূচি করেছে তৃণমূল। সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে যেভাবে জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল, এক্ষেত্রেও সেই একই মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে মূলত জনসংযোগ বাড়াতে।
সোমবারের অনুষ্ঠান শেষে নজরুল মঞ্চ থেকেই প্রচারের জন্য সজ্জিত গাড়ি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রওনা দেবে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য দুটি। প্রথমত, গত এক দশকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তফসিলি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে যেসব জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়ণ করেছে, তার খতিয়ান সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে। দ্বিতীয়ত, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে দলিত ও আদিবাসীদের উপর হওয়া বিভিন্ন অপরাধ ও অত্যাচারের খতিয়ানকে হাতিয়ার করে ব্যাপক জনমত গড়ে তোলা। আসলে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের তফসিলি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষজন কত ভালো আছেন, নিরাপদ ও সুরক্ষিত আছেন, সেটাই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন বোঝাতে তৎপর শাসকশিবির।
