আগামী কাল, বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। গতকাল, বুধবার বিকেলেই প্রচার শেষ হয়েছে প্রথমপর্বের। এই অবস্থায় রাজ্যের নেতাদের নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দ্বিতীয় দফার রণকৌশল ঠিক করার জন্যই কি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শাহের? সেই প্রশ্ন উঠছে। শুধু তাই নয়, আগামী ২৭ তারিখ পর্যন্ত বাংলাতেই শাহ থাকবেন। এমনই কথা বিজেপির অন্দর সূত্রে শোনা যাচ্ছে।
রাজ্যজুড়ে প্রচার করছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিক জনসভা, রোড শো করছেন। তারকা প্রচারকরা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা, রোড শো-তে উপস্থিত থাকছেন। যোগী আদিত্যনাথ, বিপ্লব দেব, স্মৃতি ইরাণি-সহ হেভিওয়েটরা কার্যত ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করছেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গে ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানো ও বেশি আসন দখলের লক্ষ্যে ঝাঁপিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুধু তাই নয়, প্রথমপর্বের ভোটে জেলাগুলিতে জোর প্রচারও করেছে বিজেপি। আগামী কাল রাজ্যে প্রথম দফায় ভোট। গতকাল প্রচার শেষে অমিত শাহ কলকাতায় ফেরেন। হোটেলেই দলের নেতা, কার্যকর্তাদের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক করেছেন তিনি। এমন কথা শোনা গিয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের জন্য কীভাবে প্রচার হবে? কী কী পদক্ষেপ করা হবে? সেই নিয়ে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত বৈঠক চলে বলে খবর। বৈঠকে একাধিক বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দলের অন্দরের খবর।
কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফার ভোট। দ্বিতীয় দফার ভোটে দলের রণকৌশল কী হবে, সেই নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করলেন শাহ। দক্ষিণবঙ্গের ভোটের দায়িত্বে থাকা নেতারা ছাড়াও বিপ্লব দেবরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণবঙ্গের জন্য কীভাবে প্রচার হবে? কী কী পদক্ষেপ করা হবে? সেই নিয়ে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত বৈঠক চলে বলে খবর। বৈঠকে একাধিক বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দলের অন্দরের খবর। প্রসঙ্গত, এবার তৃণমূল সরকারকে হারানোর জন্য বদ্ধপরিকর গেরুয়া শিবির। ৪ মে-র পর বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন হবে, মোদি-শাহরা জোরালো এই বার্তা প্রচার করছেন। এদিকে দক্ষিণবঙ্গ তৃণমূলের গড় বলেই এই মুহূর্তে পরিচিত। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনায় শাসক দল কার্যত একচেটিয়াভাবে দীর্ঘ সময় ধরে জিতে আসছে। দ্বিতীয় পর্বে সেখানেই ভোট।
দক্ষিণবঙ্গে অনেক বেশি আসনে জিততে মরিয়া বিজেপি। মতুয়াগড়-সহ একাধিক আসনকে পাখির চোখ করেছে গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রগুলির পরিস্থিতি কী? বিজেপির পালে কতটা হাওয়া রয়েছে? শেষমুহূর্তের প্রচারে কতটা ঝড় তোলা হবে? কোন কোন ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারের হাতিয়ার করা হবে? সেই বিষয়ে কি শাহ দীর্ঘ বৈঠক করে বার্তা দিলেন? সেই কথাও উঠে আসছে। আগামী ২৭ তারিখ পর্যন্ত অমিত শাহ ভোটপ্রচারের জন্য বাংলায় থাকবেন। সেই কথাও এদিন জানা গিয়েছে।
