দ্বিতীয় দফার ভোটের (Bengal Election 2026) ঠিক আগে রাতের বৈঠকে রণকৌশল ঠিক করে ভোকাল টনিক দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন যে সব এলাকায়, সেখানকার জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ এবং প্রবাসী জেলা ইনচার্জদের নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করে একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন শাহ। দ্বিতীয় দফার ভোটে জেলা ধরে ধরে ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে দেন তিনি। সূত্রের খবর, দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতেই কলকাতায় টানা থাকার পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।
একেবারে বুথে বুথে শেষ মুহূর্তে রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারী ইস্যু নিয়ে প্রচার তুঙ্গে তোলার কথা বলা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের ধারণা, এই ইস্যুগুলিকে হাতিয়ার করেই মেরুকরণকে আরও তীব্র করছে পদ্ম শিবির। এসআইআরে সংখ্যালঘুদের নাম বেশি বাদ পড়েছে, তেমনই শতাংশের হারে মতুয়া অধ্যুষিত জেলায় ভোটাধিকার হারিয়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। আবার এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু থেকেই নানাবিধ প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এসআইআরের নামে হয়রানি করা হয়েছে। শুনানির নোটিস পাঠিয়ে শুনানিকেন্দ্রে ডেকে অযথা হেনস্তার অভিযোগও তুলেছিলেন অনেকে। ফলে এসআইআরের জেরে মানুষের এই হয়রানি এবার ভোট বাক্সে বিজেপির বুমেরাং হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী ২৭ তারিখ পর্যন্ত ওয়ার্ডভিত্তিক ছোট ছোট সভা করার নির্দেশ দিয়েছেন বুথ ও মণ্ডলের নেতাদের কাছে। কলকাতা শহর ও শহরতলি, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া ও দুই ২৪পরগনা জেলায় ছোট ছোট সভা শুরু হয়েছে। এছাড়া, ভোটের সময় আগলে রাখতে হবে বুথ। সেই বার্তাও বৈঠকে তিনি দিয়েছেন। আলাদা করে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বুথ সংগঠনে।
আগামী ২৭ তারিখ পর্যন্ত ওয়ার্ডভিত্তিক ছোট ছোট সভা করার নির্দেশ দিয়েছেন বুথ ও মণ্ডলের নেতাদের কাছে। কলকাতা শহর ও শহরতলি, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া ও দুই ২৪পরগনা জেলায় ছোট ছোট সভা শুরু হয়েছে। এছাড়া, ভোটের সময় আগলে রাখতে হবে বুথ। সেই বার্তাও বৈঠকে তিনি দিয়েছেন। আলাদা করে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বুথ সংগঠনে।
দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল, তার কয়েকদিন আগে থেকেই বুথ সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক চলবে। যেসব এলাকায় ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে অল্প ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল পদ্ম শিবির সেই এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। একেবারে শেষ মুহূর্তে সেইসব এলাকার ভোটারদের কাছে যেতে হবে বিজেপি কর্মীদের। সেখান থেকে ভোট বাড়ানোর চেষ্টা করার জন্য দলের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন শাহ।
মঙ্গলবার রাতে চারটি সাংগঠনিক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতারা বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন, যার অধীনে ১৩টি সাংগঠনিক জেলা। জেলা ধরে ধরে প্রবাসী দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব-বিপ্লব দেব-সুনীল বনশল-অমিত মালব্য। এদিকে, অমিত শাহ ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত কলকাতায় থেকে সারাদিন ভোট প্রচারের পর রাতে প্রতিদিনই বৈঠক করবেন শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে।
