ভোটের আগে অশান্ত বারাকপুর। তৃণমূলের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে যান বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। তিনি দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন। যদিও বিজেপি মহিলাকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বারাকপুরের শঙ্খবনি কলোনিতে বাচ্চাদের একটি গন্ডগোলকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা ও হাতাহাতি হয়। সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা তৃণমূল কর্মী কাকলি পাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করে অপর একটি পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ, কাকলিকে ফেলে পেটে আঘাত করা হয়। এমনকি তাঁর স্বামী ও ৬ বছরের মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলেকেও মারধর করা হয়। তড়িঘড়ি কাকলি-সহ অন্য জখমদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বারাকপুরের বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হলেও হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন কাকলি। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির দুষ্কৃতীরা তাঁদের অন্তঃসত্ত্বা কর্মীকে মারধর করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ভোটের আগে এলাকায় এই ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে আসেন বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, "বিজেপির কয়েকজন গুন্ডা আমাদের কর্মীকে মারধর করেছে, আমরা এফআইআর করেছি, দোষীদের শাস্তি চাই।" বিজেপির বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগও তোলেন তিনি। যদিও তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়। এতে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের কোনও ভূমিকাই নেই। কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে পথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
