শহরজুড়ে বিশাল মিছিল ও যানজটে আটকে পড়েছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা। ওদিকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হতে আর বেশি দেরি নেই। এই আবহে জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছতে দৌড় লাগালেন দুই বিজেপি প্রার্থী। তাঁরা হলেন কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী সাধন ঘোষ এবং চাপড়া কেন্দ্রের প্রার্থী সৈকত সরকার। সোমবার দুপুরে কৃষ্ণনগর শহরে প্রার্থীদের দৌড়তে দেখে পথচলতি মানুষজন থমকে দাঁড়িয়ে পড়েন।
সোমবার প্রথম দফার নির্বাচনের (Bengal Election 2026) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। বিকেল ৩টে পর্যন্ত মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়েছে। এদিন কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বাপন ঘোষ, কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের তারক চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণনগর দক্ষিণের প্রার্থী সাধন ঘোষ, নাকাশিপাড়া কেন্দ্রের প্রার্থী শান্তনু দে এবং চাপড়া কেন্দ্রের প্রার্থী সৈকত সরকারের সমর্থনে একাধিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রথমে কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড়ে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে নেতাদের বক্তব্যে কর্মীদের উচ্ছ্বাস বাড়তে থাকে। জনসভা শেষে প্রার্থীরা বিশাল মিছিল করে জেলাশাসকের দপ্তরের উদ্দেশে রওনা দেন।
বাকিরা সময়মতো জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছতে পারলেও পিছনে পড়ে যান কৃষ্ণনগর দক্ষিণের প্রার্থী সাধন ঘোষ এবং চাপড়া কেন্দ্রের প্রার্থী সৈকত সরকার। সময়ের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে তাঁরা রাস্তা দিয়ে দৌড়তে শুরু করেন।
মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের সমর্থনে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয় শহরের একাধিক এলাকা। গেরুয়া পতাকা, বেলুন এবং স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকাগুলি। কর্মী-সমর্থকদের ঢল সামলাতে প্রশাসনকেও যথেষ্ট তৎপর থাকতে দেখা যায়। বাকিরা সময়মতো জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছতে পারলেও পিছনে পড়ে যান কৃষ্ণনগর দক্ষিণের প্রার্থী সাধন ঘোষ এবং চাপড়া কেন্দ্রের প্রার্থী সৈকত সরকার। সময়ের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে তাঁরা রাস্তা দিয়ে দৌড়তে শুরু করেন।
শেষ মুহূর্তে হলেও সফলভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁরা। এদিন প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় জেলাশাসকের দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
