আর জি কর কাণ্ডে অভয়ার মা-কে দলের টিকিট দেওয়া নিয়ে বিজেপি কার্যত দু’ভাগ। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদাররা চাইছেন না অভয়ার মাকে পদ্ম প্রতীকে টিকিট দিতে। টিকিট না দেওয়ার মতের পিছনে একাধিক সঠিক যুক্তিও রয়েছে। শমীক-সুকান্ত শিবির সেটা দিল্লিকে জানিয়েছে। অন্যদিকে, অভয়ার মাকে টিকিট দেওয়ার পক্ষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। টিকিট দেওয়ার পক্ষেও কিছু যুক্তি দিল্লির নেতাদের জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দিল্লির নির্ভয়ার নামের সঙ্গে মিলিয়ে আর জি করের নির্যাতিতার নাম রাখা হয়েছে ‘অভয়া’। কিন্তু নির্ভয়ার মায়ের মতো রাজনীতির হাতছানি উপেক্ষা করতে পারেননি অভয়ার মা। আর জি করের নির্যাতিতার মা-বাবা ইতিমধ্যেই বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যতে তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহেই পানিহাটির বাড়িতে অভয়ার মা ঘোষণা করেছিলেন, সুবিচার ছিনিয়ে আনতে বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। টেলিফোনে বিজেপি নেতৃত্বকে সে কথা জানিয়েওছেন। সিপিএম তঁাদের নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে তঁারা নাকি সুবিচার পাবেন। অভয়ার মায়ের এই ঘোষণার পরই রাজ্যজু়ড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। মেয়ের মৃতু্যকে হাতিয়ার করে অভয়ার মা বিজেপি প্রার্থী হতে চাওয়ায় নিন্দার ঝড় সোশাল মিডিয়াজুড়েও।
গত সপ্তাহেই পানিহাটির বাড়িতে অভয়ার মা ঘোষণা করেছিলেন, সুবিচার ছিনিয়ে আনতে বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। টেলিফোনে বিজেপি নেতৃত্বকে সে কথা জানিয়েওছেন। সিপিএম তাঁদের নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে।
বিপক্ষে বিজেপির একাংশের যুক্তি, অভয়ার মা নিজেই ঘোষণা করছেন তিনি প্রার্থী হচ্ছেন। তঁাদের এই রাজনীতির সঙ্গে যোগ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। সেটাতে স্পষ্ট, তঁাকে প্রার্থী করলে বিজেপির কোনও লাভ হবে না। অভয়ার মাকে প্রার্থী করার বিষয়ে কর্মীদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে। তাদের কথায়, আর জি কর কাণ্ড শুধু পানিহাটির ইসু্য নয়। অভয়ার মাকে প্রার্থী করলেই যে মানুষ ঢেলে ভোট দেবে সেরকমটা নয়।
