ভোটপ্রচারে বেরিয়ে মহিলা ভোটারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচীর বিরুদ্ধে। আতঙ্কিত ওই মহিলা ভোটার। বাধ্য হয়ে টিটাগড় থানার দ্বারস্থ তিনি। যদিও এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী। আগামী ২৯ এপ্রিল ভোটবাক্সে মানুষ যোগ্য জবাব দেবেন বলেই আশাবাদী তৃণমূলের তারকা প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী।
প্রায় প্রতিদিনই ভোটপ্রচারে বেরচ্ছেন কৌস্তভ বাগচী। শনিবারও ভোটপ্রচারে বেরিয়েছিলেন তিনি। নিজের বিধানসভা এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার করছিলেন। এক মহিলার দাবি, বিজেপি প্রার্থী বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে প্রশ্ন করেন এবার কাকে ভোটে দেবেন। তিনি নিজের পছন্দ অনুযায়ী তৃণমূলের কথা বলেন। তাতেই নাকি বেজায় চটেন বিজেপি প্রার্থী। হুমকি দিতে শুরু করেন। আগামী ৪ মে, ভোটের ফলপ্রকাশের পর তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই মহিলা। সোজা টিটাগড় থানায় যান। বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেন।
যদিও বিজেপি প্রার্থী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, "এসব একেবারে ভুয়ো অভিযোগ। আমি বাড়ি বাড়ি প্রচার করছিলাম। ওই মহিলার বাড়িও গিয়েছিলাম। তাঁকে বলেছিলাম আমাদের ভোট দিতে। উনি তৃণমূল সমর্থক বলেই বুঝতে পারি। আমাকে নানা প্রকল্পের কথা বলতে থাকেন। আমি বলেছি যাঁকে ইচ্ছা তাঁকেই ভোট দিন। তবে কেউ বাড়িতে আসলে, তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করবেন না।" এরপর সরাসরি শাসক শিবিরের প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীকে আক্রমণ করে বলেন, "রাজ বুঝে গিয়েছেন হেরে যাবেন। সে কারণেই এসব ছেঁদো বিষয়কে ইস্যু করতে চাইছেন।" বিজেপি প্রার্থীকে আবার পালটা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী রাজও। তিনি বলেন, "বিজেপি কিছুতেই বুঝতে পারছে না দেখে নেওয়া, কেটে ফেলা, মেরে ফেলা বাংলার সংস্কৃতি নয়। এসব করে কিছু হবে না। আগামী ২৯ এপ্রিল মানুষ ভোটবাক্সে সব জবাব দেবে।" ভোটের আবহে বারাকপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ যে ক্রমশ চড়ছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
