ভোটের মুখে জগদ্দলে ভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণ! বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস রাজেশ কুমার গেলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা বিপুল ঘোষালের বাড়িতে গিয়ে বৈঠক ঘিরে জল্পনা তীব্র হয়েছে। শুক্রবার শরৎপল্লির ওই বাড়িতে প্রায় আধঘণ্টা তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভোটের (West Bengal Assembly Election) ঠিক আগে প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের দুই নেতার এমন বৈঠককে অনেকেই অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন।
স্থানীয় মহলের একাংশের মতে, এই সাক্ষাৎ শুধুই সৌজন্য বলে মেনে নেওয়া কঠিন। কংগ্রেসের পুরনো সংগঠনের প্রভাব থাকা এলাকায় এই বৈঠক ভোটের অঙ্কে কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না তা নিয়েই আলোচনা বাড়ছে। যদিও দুই পক্ষই এই জল্পনা মানতে নারাজ। কী বলছেন তাঁরা?
স্থানীয় মহলের একাংশের মতে, এই সাক্ষাৎ শুধুই সৌজন্য বলে মেনে নেওয়া কঠিন। কংগ্রেসের পুরনো সংগঠনের প্রভাব থাকা এলাকায় এই বৈঠক ভোটের অঙ্কে কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না তা নিয়েই আলোচনা বাড়ছে। যদিও দুই পক্ষই এই জল্পনা মানতে নারাজ। বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস রাজেশ কুমারের কথায়, “জগদ্দলে যাঁরা সম্মানীয় মানুষ রয়েছেন, আমি তাঁদের আশীর্বাদ নিতে যাচ্ছি। বিপুলবাবু বহু বছর ধরে এলাকায় কাজ করছেন। তাঁর মতো মানুষের সঙ্গে দেখা করে আশীর্বাদ নেওয়া আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ভোট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। আমি ভোট চাইতেও যাইনি। এটা সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ।”
কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা বিপুল ঘোষাল বলেন, “এটা নতুন কিছু নয়। আগে সব দলের প্রার্থীরাই আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। আমি জেলার কংগ্রেসের দায়িত্বে আছি, সেই কারণে অনেকে আসে। উনি তাঁর মতাদর্শে, আমি আমার মতাদর্শে আছি। এখানে কোনও রাজনৈতিক কথা হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “এই কেন্দ্রে আমার নিজের দলের প্রার্থী রয়েছে, আমি তাঁর জন্যই কাজ করছি। অন্য কোনও প্রশ্নই নেই। উনি দেখা করতে এসেছিলেন, আমি সৌজন্যবশত তাঁকে গ্রহণ করেছি।” তবে বক্তব্য যতই স্পষ্ট হোক, প্রশ্ন থামছে না। ভোটের মুখে এই সাক্ষাৎ কি কেবল সৌজন্য, না কি এর ভিতরে অন্য কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত রয়েছে, তা নিয়েই জগদ্দলের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
