আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা! বুধবার দক্ষিণবঙ্গের মোট ৭ জেলার ১৪২ আসনে হবে ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026)। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করতে ইতিমধ্যে ৭ জেলাকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি জায়গায় মোতায়েন করা হচ্ছে স্পেশাল ফোর্সকেও। এরমধ্যেই রাজ্যের ৪৩৮৮ বুথকে অতি স্পর্শকাতর ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। স্পর্শকাতর জেলা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ গোটা কলকাতাকেও।
কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া বঙ্গভোটের প্রথমদফা নির্বিঘ্নেই কেটেছে। ৯০ শতাংশেরও বেশি পোলিং হয়েছে। দ্বিতীয়দফাতেও এই ধারা অব্যহত রাখতে চায় কমিশন। আর সেই লক্ষ্যেই ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দু’হাজারেরও বেশি ‘ট্রাবল মঙ্গার’কে। কিন্তু এরপরেও অর্থাৎ দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে কোথাও কোথাও রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে জগদ্দল, ভাটপাড়ায় বোমাবাজি, বিজেপি প্রার্থী আক্রান্ত, আরামবাগ, গোঘাটে তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার মতো অভিযোগ এসেছে কমিশনের দপ্তরে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও ভোটের আগে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে। একের পর এক অভিযোগ আসতেই সতর্ক কমিশন। আর সেই কারণেই বর্ধমানের কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, বারুইপুর পূর্ব-পশ্চিম, মগরাহাট উত্তর-পশ্চিম, ভাঙড়, ফলতা, কাশীপুর, বেলগাছিয়া, বারাকপুর, ভাটপাড়া, বীজপুর, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, আরামবাগে স্পেশাল ফোর্স পাঠানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি মোতায়েন থাকছে ২৩৪৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
একনজরে কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন?
কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা - ১৫৯ কোম্পানি।
রানাঘাট পুলিশ জেলা - ১২৮ কোম্পানি।
হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট - ১১১ কোম্পানি।
হাওড়া রুরাল পুলিশ জেলায় - ১৪৭ কোম্পানি।
হুগলি (রুরাল) - ২৩৬ কোম্পানি।
চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট - ৮৭ কোম্পানি।
কলকাতা- ২৭৪ কোম্পানি।
বারাসত পুলিশ জেলা - ১১৪ কোম্পানি।
বনগাঁ পুলিশ জেলা - ৬৩ কোম্পানি।
বসিরহাট পুলিশ জেলা - ১২৪ কোম্পানি।
বারাকপুর পুলিশ জেলা - ১৬০ কোম্পানি।
বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট - ৫১ কোম্পানি।
বারুইপুর পুলিশ জেলা- ১৬২ কোম্পানি।
ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা- ১৩৭ কোম্পানি।
সুন্দরবন পুলিশ জেলা -১১৪ কোম্পানি।
পূর্ব বর্ধমান - ২৬৩ কোম্পানি।
আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট -১৩ কোম্পানি।
