বাংলার ভোট করাতে এবার ভিন রাজ্য থেকে পুলিশ নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। প্রথমদফার ভোটে রাজ্যে ২৪০০ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যার মধ্যে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী রয়েছে রাজ্যে। কিন্তু এরপরেও ভিন রাজ্য থেকে সশস্ত্র পুলিশ নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের নিরাপত্তায় ভিন রাজ্য থেকে ৩০০০ সশস্ত্র পুলিশ নিয়ে আসা হচ্ছে। অন্যদিকে কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের আবেদন খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন। আগামিকাল অর্থাৎ সোমবারের মধ্যেই তাঁকে তামিলনাড়ুতে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বঙ্গে ভোটের বাকি কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোট রয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এবার একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কমিশন। নজিরবিহীনভাবে ২৪০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে কয়েকগুণ বেশি। ধাপে ধাপে বিপুল বাহিনীর বাংলায় আসার কথা রয়েছে। এরমধ্যে এবার আরও তিন হাজার পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশনের। সূত্রের খবর, সবথেকে বেশি বাহিনী আসছে উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও মধ্যপ্রদেশ থেকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই তিন রাজ্যেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। তবে শুধু বিজেপিশাসিত রাজ্য নয়, আরও বেশ কয়েকটি রাজ্য থেকেও পুলিশকে এই রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কাজে লাগানো হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আগামী ১৩ এপ্রিল থেকেই সশস্ত্র এই পুলিশবাহিনী বাংলায় আসা শুরু করবে।
সূত্রের খবর, সবথেকে বেশি বাহিনী আসছে উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও মধ্যপ্রদেশ থেকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই তিন রাজ্যেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি।
এদিকে সুপ্রতিম সরকারকে তামিলনাড়ুর পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করে কমিশন। যদিও এরপরেই চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ উল্লেখ করে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান তিনি। আবেদন জানান কমিশনে। জানা যাচ্ছে, কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের সেই আবেদনে কোনও কর্ণপাত করেনি কমিশন। বরং সোমবারই পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার নির্দেশ তাঁকে কমিশন দিয়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, সুপ্রতিম সরকারকে তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলি, অম্বাসমুদ্রম, পালায়মকোট্টাই নাঙ্গুনেরি এবং রাধাপুরমে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
