মুর্শিদাবাদের বড়ঞা বিধানসভায় ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে জোর বিতর্ক। বড়ঞা কেন্দ্রের ১৮৬ নম্বর বুথে ইভিএম বিভ্রাটের অভিযোগ। গোদাপাড়া এলাকার এই বুথে স্থানীয় ভোটারদের একাংশের অভিযোগ, "ইভিএমে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে বোতাম টিপলেও ভোট (WB Assembly Election 2026) পড়ছে বিজেপিতে।"
১৫১ নম্বর বুথে বিরুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, ভোটাররা যাকেই ভোট দিচ্ছেন, সেই ভোট বিজেপিতে চলে যাচ্ছে। অভিযোগ ঘিরে সেখানেও বেশ কিছুক্ষণের জন্য ভোটদান পর্ব বন্ধ থাকে।
এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ ভোটাররা বুথের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের দাবি, ভোট মেশিনে বড়সড় কারচুপির কারণেই এমন বিপত্তি ঘটছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ভোটের (WB Assembly Election 2026) স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাই। যদিও নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের তরফে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে গোটা ঘটনায় বড়ঞার ১৮৬ নম্বর বুথে ভোট প্রক্রিয়া সাময়িক ব্যাহত হয়। প্রায় একই ঘটনার অভিযোগ ওঠে শুভেন্দু অধিকারীর কেন্দ্র নন্দীগ্রামে। ১৫১ নম্বর বুথে বিরুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, ভোটাররা যাকেই ভোট দিচ্ছেন, সেই ভোট বিজেপিতে চলে যাচ্ছে। অভিযোগ ঘিরে সেখানেও বেশ কিছুক্ষণের জন্য ভোটদান পর্ব বন্ধ থাকে।
ইভিএম বিকল হওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন-বিজেপির চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন রামনগরের তৃণমূল প্রার্থী অখিল গিরি। তাঁর অভিযোগ, "রামনগর ১ নম্বর বুথ সহ চার জায়গায় ইভিএমের ১ নম্বর বোতামটাই খারাপ। নতুন ইভিএম আনতে বলেছি আমরা। খারাপ ইভিএমের কারণে স্লো ভোটিং চলছে।" কমিশনের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বিজেপিকেও তুলোধনা করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী।
অন্যদিকে সকাল থেকেই দফায় দফায় মুর্শিদাবাদের নওদা। মুর্শিদাবাদের নওদায় হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে বিক্ষোভ। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতাকে ঘিরে ওঠে চোর চোর স্লোগান। ওঠে গোব্যাক স্লোগানও। তৃণমূল কর্মীদের দিকে তেড়ে যান হুমায়ুন। জানা গিয়েছে, নওদা থানা এলাকার শিবনগর গ্রামের ১৭৩ নম্বর বুথে হুমায়ুনকে ঘিরে গোব্যাক স্লোগান তোলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। হুমায়ুনকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান তুলছেন অনেকে। হুমায়ুনের গাড়ি ঘিরে রেখে বিক্ষোভ। তারপরেই গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
