প্রথম দফায় দু'একটি অশান্তি ছাড়া ভোটের ময়দান মোটের উপর শান্তিপূর্ণই। কেষ্টগড়ও তাঁর ব্যতিক্রম হয়নি। বৃহস্পতিবার বেলা গড়াতেই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ভোট কেন্দ্রের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েন বীরভূমের কেষ্ট। ভোটদানের পর বললেন, 'ভাল লাগছে। শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে।মমতা-অভিষেক যেমন চেয়েছিলেন তেমনই ভোট হচ্ছে বাংলায়।'
তৃণমূলের জয়ের প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী অনুব্রত বলেন, "২৩০ আসন পাবে তৃণমূল। বীরভূমের সব আসন তৃণমূলের দখলে থাকবে।" এমনটাই দাবি করেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর আরও সংযোজন, "মমতা-বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেমন চেয়েছিলেন, তেমনই শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে।"
ভোট বঙ্গে বীরভূমের চেনা ছবি কার্যত উবে গিয়েছে। যে মাটিতে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) 'চড়াম-চড়াম' ঢাকের বাদ্যি, 'গুড়-বাতাসা' দাওয়াই চলত ভোটের সকাল থেকে। সেই কেষ্ট গড় শান্ত-শিষ্ট। অশান্তির কোনও খবর নেই বললেই চলে। বোলপুর ভাগবত নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র থেকে বেরতেই অনুব্রতকে ঘিরে ধরেই সাংবাদিকরা। সঙ্গে ছিলেন মেয়ে সুকন্যাও। তৃণমূলের জয়ের প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী অনুব্রত বলেন, "২৩০ আসন পাবে তৃণমূল। বীরভূমের সব আসন তৃণমূলের দখলে থাকবে।" এমনটাই দাবি করেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর আরও সংযোজন, "মমতা-বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেমন চেয়েছিলেন, তেমনই শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে।"
বীরভূমে যাঁর দাপটে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খায় বলে মনে করা হত একটা সময়, সেই কেষ্টর দাপুটে চেহারা আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। ভোটের দিন নিজের গড়ে 'গুড়-বাতাসা বিলি' করার রীতি এখন অতীত। শুধু তাই নয়, তাঁর কথায় বাংলার রাস্তায় নাকি দাঁড়িয়ে থাকে উন্নয়ন। সেই অনুব্রতর আজ বাড়ি থেকে ভোটকেন্দ্রে এলেন, ভোট দিলেন, দু'এক কথা বললেন বটে তবে সেখানে কোনও ধমক-চমক কিচ্ছুটি নেই। সাংবাদিকদের প্রশ্নে হাসিমুখে জবাব দিয়ে অনুগামীর বাইকে চড়ে ফিরে গেলেন বাড়ি। দলের জয়ের প্রসঙ্গে ভবিষ্যদ্বাণী করে গেলেন 'শান্ত' অনুব্রত।
