প্রথমদফার ভোট (West Bengal Elections 2026) অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করাটা নির্বাচন কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ! কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, তাতে মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে ভোটগ্রহণ। এবার কমিশনের সামনে দ্বিতীয়দফা। আগামী ২৯ এপ্রিল কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভোট রয়েছে। ভোট রয়েছে হাওড়ায় একাধিক আসনে। আর সেখানেই শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে প্রত্যেক বুথেই থাকছে সিসি ক্যামেরা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল নির্বাচনের দিন হাওড়া জেলার ৪ হাজার ৫১৮টি বুথে প্রায় ১০ হাজার অত্যাধুনিক মানের সিসি ক্যামেরা থাকবে। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে থাকবে দুটি করে ক্যামেরা।
জানা গিয়েছে, হাওড়া জেলার অধিকাংশ বুথেই সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ প্রায় শেষ। তবে এবার স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বিশেষ নজর দিচ্ছে কমিশন। জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে খবর, স্পর্শকাতর বুথগুলির ভিতরে এবং বাইরে এবার একটি করে মোট ২টি সিসি ক্যামেরা থাকবে। কিন্তু অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে ২টি ক্যামেরা বাইরে থাকবে ও একটি ক্যামেরা বুথের ভিতরে থাকবে। প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন এবার সব বুথকেই স্পর্শকাতর বলেছে। অর্থাৎ হাওড়ায় ৪ হাজার ৫১৮টি বুথই স্পর্শকাতর।
জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে খবর, স্পর্শকাতর বুথগুলির ভিতরে এবং বাইরে এবার একটি করে মোট ২টি সিসি ক্যামেরা থাকবে। কিন্তু অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে ২টি ক্যামেরা বাইরে থাকবে ও একটি ক্যামেরা বুথের ভিতরে থাকবে।
জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বুথগুলিতে ভোটের (West Bengal Elections 2026) আগের দিন ভোটকর্মীরা পৌঁছনোর পর থেকেই ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি শুরু করা হবে। চলবে পরের দিন ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়ার জন্য যে কঠোর পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল সব বুথের ভিতরে ও বাইরে ক্যামেরার নজরদারি। সে জন্য অন্য নির্বাচনের তুলনায় এবার বুথগুলিতে ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বুথের বাইরের পরিস্থিতি নজরে রাখার জন্য বুথের বাইরেও ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।
