ভোট প্রচারে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী। এলাকায় পৌঁছতেই 'গো ব্যাক' স্লোগান শুভেন্দুকে। তৃণমূল-বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের স্লোগান, পালটা স্লোগানে উত্তপ্ত ভবানীপুর। এরপরই ভবানীপুর থানায় দলীয় কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
'ছাব্বিশের যুদ্ধে' হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। আজ, বৃহস্পতিবার ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়া এলাকায় প্রচারে আসেন শুভেন্দু। ছিলেন কর্মী-সমর্থকরা। প্রচার কিছুটা শুরু হতেই তৃণমূলের এক কার্যালয়ের সামনে আসে শুভেন্দুর প্রচার মিছিল। সেখান থেকেই ওঠে 'গো ব্যাক' স্লোগান। পালটা স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপরই থানায় যান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছে।
'ছাব্বিশের যুদ্ধে' হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। আজ, বৃহস্পতিবার ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়া এলাকায় প্রচারে আসেন শুভেন্দু।
এই নির্বাচনে ২টি আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরে প্রার্থী করা হয়েছে। আরও একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই দেখবে বঙ্গবাসী। শুভেন্দু হুঙ্কার দিয়েছেন, তিনি মমতাকে হারাবেন। তবে তাঁকে বিশেষ 'পাত্তা' দিতে চাইছে না তৃণমূল। শাসকদলের শক্ত ঘাঁটি ভবানীপুর। স্বয়ং মমতা বলেছেন, "ভবানীপুরে আমিই জিতব। শুধু ভবানীপুর নিয়ে ভাবছি না, রাজ্যজুড়ে জয় নিয়ে ভাবছি। ভবানীপুর সেই জয়কে নেতৃত্ব দেবে।"
লড়াই কতটা জোরদার হবে তা সময় বলবে। কিন্তু উত্তেজনা যে থাকবে তা বলাই বাহুল্য। আজ, বৃহস্পতিবার তৃণমূল-বিজেপির স্লোগান, পালটা স্লোগান। শুভেন্দুের থানায় যাওয়া সেই পূর্বাভাসই দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
