বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সমর্থনে প্রচারে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রের খবর। জোড়া কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে। আর দিলীপ ঘোষ প্রার্থী তাঁর পুরনো কেন্দ্র খড়গপুর সদরে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সমর্থনে কাঁথিতে একটি জনসভা করতে পারেন মোদি। পাশাপাশি দিলীপের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী আরেকটি জনসভা করবেন খড়গপুরে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে কমপক্ষে একডজন জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
উত্তরবঙ্গে ৩টি ও দক্ষিণবঙ্গে ৯টি। দলের সাংগঠনিক দশটি বিভাগের মধ্যে ৭টি বিভাগে সভা ইতিমধ্যেই করেছেন মোদি। আলিপুর, দমদম, দুর্গাপুর, তাহেরপুর, মালদহ, সিঙ্গুর ও ব্রিগেডে। জানা যাচ্ছে, এবার ভোট প্রচারে এই জায়গাগুলি ছেড়েই সভা হবে প্রধানমন্ত্রীর। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, শিলিগুড়ি ও বালুরঘাটে সভা করবেন। এরপর দক্ষিণবঙ্গের খড়গপুর, কাঁথি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনায় তাঁর সভা করার কথা রয়েছে। অর্থাৎ মোট ১২টি সভা করতে পারেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও ততধিক সভা করতে আসবেন।
উত্তরবঙ্গে ৩টি ও দক্ষিণবঙ্গে ৯টি। দলের সাংগঠনিক দশটি বিভাগের মধ্যে ৭টি বিভাগে সভা ইতিমধ্যেই করেছেন মোদি। আলিপুর, দমদম, দুর্গাপুর, তাহেরপুর, মালদহ, সিঙ্গুর ও ব্রিগেডে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়গপুর কেন্দ্রে প্রার্থী ছিলেন দিলীপ। সেই সময় তাঁর হয়ে প্রচারে এসেছিলেন মোদি। তারপর সাংসদ হয়ে যান দিলীপ। পরে তাঁর কেন্দ্র বদল হয়। বর্ধমান-দুর্গাপুর থেকে চব্বিশের লোকসভা ভোটে পরাজিত হন। এবার তিনি ফের তাঁর পুরনো কেন্দ্র খড়গপুরে প্রার্থী হয়েছেন। এবং এবার পছন্দের আসন পেয়ে স্বমহিমায় প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন। দিলীপের বক্তব্য, তাঁর প্রচারের ধরন আলাদা। তিনি জায়গায় জায়গায় চা-চক্র করেন, মানুষের সঙ্গে মেশেন, কথা বলেন। তাঁর কথায়, “সভা-সমিতি করে খুব একটা ভাষণ আমি দিই না। তবে ছোট-বড় সভা তো হবেই।" তাঁর হয়ে খড়গপুর সদরে প্রচারে কি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসবেন? দিলীপের জবাব, এটা কেন্দ্রীয় আর রাজ্য নেতৃত্ব ঠিক করবে। তবে হয়তো তাঁরা আসবেন। কারণ প্রতি নির্বাচনেই নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ এখানে আসেন।
উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে ২৪ মার্চ কাঁথিতে জনসভা করেছিলেন মোদি। এবারও শুভেন্দুর হয়ে প্রচারে আসবেন তিনি। শুধু তাই নয়, প্রতিটি জনসভাতেই সেখানকার একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থীদের মঞ্চে তুলে তাঁদের ভোট দেওয়ার আবেদনও করতে দেখা যাবে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে। মোদি ও অমিত শাহর জনসভা যেসব জায়গায় এখনও পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা নিয়ে প্রস্তুতিও শুরু করে দিতে চায় বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। চলতি মাসের শেষের দিক থেকেই প্রচার শুরু হয়ে যাবে। সেই মতো প্রচারসূচি তৈরির কাজও চলতি সপ্তাহের মধ্যেই হয়ে যাবে বলে খবর।
