shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

ভোট দিতে পারবেন নন্দলাল বসুর নাতি, কমিশনের হস্তক্ষেপে কাটল জট

বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পেরে ফিরে গিয়েছিলেন চিত্রকর নন্দলাল বসুর নাতি এবং তাঁর স্ত্রীর। পরে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের জেরে ভোট দিতে পারবেন তাঁরা। আজ, বিকেল পাঁচটায় তাঁরা ভোট দেবেন বলে খবর।
Published By: Suhrid DasPosted: 01:27 PM Apr 23, 2026Updated: 02:27 PM Apr 23, 2026

বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পেরে ফিরে গিয়েছিলেন চিত্রকর নন্দলাল বসুর নাতি এবং তাঁর স্ত্রীর। পরে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে জট কাটল। ভোট দিতে পারবেন তাঁরা। আজ, বিকেল পাঁচটায় তাঁরা ভোট দেবেন বলে খবর। এদিন বেলায় বোলপুরের একটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ দম্পতি। কিন্তু সেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি তাঁরা। নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন এবং তাঁর স্ত্রী দীপা বসু ভোট না দিয়েই বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ, ট্রাইবুনালের রায়ের পরে তাঁদের নাম উঠলেও কেন ভোট দিতে পারলেন না? সেই প্রশ্ন উঠেছিল। কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। চর্চা শুরু হয়েছিল এই বিষয়ে। শেষপর্যন্ত তাঁরা ভোট দিতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্নেহধন্য শিল্পাচার্য নন্দলাল বসুর নাতি ও নাতবউয়ের নাম বাদ প্রসঙ্গ উঠেছিল সুপ্রিম কোর্টে। এসআইআর শুনানিতে শীর্ষ আদালতের সাফ নির্দেশ ছিল কমিশনকে নন্দলাল বসুর নাতির করা আপিলে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। ট্রাইবুনালের পর ভোটার তালিকায় তাঁদের নামও উঠেছিল। আজ, বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় বীরভূমের ভোট। এদিন বেলায় স্ত্রী দীপা সেনকে নিয়ে শান্তিনিকেতনের ভোটকেন্দ্রে সচিত্র পরিচয়পত্র নিয়ে ভোট দিতে গিয়েছিলেন সুপ্রবুদ্ধ। কিন্তু ওই বুথে থাকা ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ছিল না। সেজন্য তাঁদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি! কেন তাঁরা ভোট দিতে পারবেন না? সেই প্রশ্নও উঠেছিল। কিন্তু ভোট দেওয়ার অনুমতি মেলেনি। শেষপর্যন্ত ভোট না দিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন তাঁরা। এই বিষয়টি নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

নন্দলাল বসুর নাতি ও তাঁর স্ত্রী। ছবি-সংগৃহীত

শান্তিনিকেতনে নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন ও তাঁর স্ত্রী দীপা সেন ও পরিবারের এক সদস্য বৈধ কাগজ নিয়ে গেলেও তাঁদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিল পরিবার। জানা গিয়েছিল, বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক তাঁদের জানিয়েছিলেন, দু’জনেরই নামই ভোটার তালিকায় নেই। সেসময় বৃদ্ধ দম্পতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখিয়েছিলেন। তখন তাঁদের ওই সুপ্রিম নির্দেশের মুদ্রিত অংশ জমা দিতে বলা হয়। সেই কাজ করার পরেও স্বামী-স্ত্রী ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। সেসময় তাঁদের বলা হয়, সিউড়িতে জেলাশাসকের দপ্তর থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু এই গরমে আর বোলপুর থেকে সিউড়িতে যেতে চাননি ওই বৃদ্ধ দম্পতি। ভোট না দিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন।

ওই বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছিল চর্চা। বিষয়টি কমিশনের নজরেও আসে। জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপেই এই জটিলতা কাটে। নন্দলাল বসুর নাতি ও পুত্রবধূ ভোট দিতে পারবেন সেই কথা জানানো হয়। বিকেল পাঁচটায় তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বলে জানা গিয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement