shono
Advertisement
Suvendu Adhikari

অনুমতি ছাড়া পুলিশ আবাসনে ঢুকে প্রচার! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ জয়প্রকাশ

এর আগেও ভবানীপুরের সভা ঘিরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার মাইকের দাপটে নিজের সভা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 06:14 PM Apr 26, 2026Updated: 06:38 PM Apr 26, 2026


দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে শেষলগ্নের প্রচার ঘিরে সরগরম দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতায় সেই সুর আরও চড়া। বিশেষত ভবানীপুরের প্রচার সমস্ত আলো কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেও বিতর্ক তৈরি হল বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) প্রচার ঘিরে। তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার সোশাল মিডিয়া পোস্টে অভিযোগ জানালেন, নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু পুলিশ আবাসনে ঢুকে প্রচার সেরেছেন। যা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বলে মনে করছে তৃণমূল এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত-সহ দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেন তিনি।

Advertisement

ভবানীপুরে বিজেপির প্রচার ঘিরে দিন দুই ধরেই উত্তেজনার পারদ চড়ছে। শনিবার চক্রবেড়িয়ার স্বামী নারায়ণ মন্দিরের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারের সময় তারস্বরে মাইক বাজানোর অভিযোগ ওঠে। পরিবেশ এতটাই বিরক্তিকর হয়ে ওঠে যে তৃণমূলনেত্রী প্রচার থামিয়ে বেরিয়ে যান। বলেন, ''এভাবে আমি মিটিং করতে পারব না। আমাকে ক্ষমা করবেন এবং এর প্রতিবাদে ভোটটা আমাকে দেবেন।'' অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর সভার কাছে ইচ্ছে করেই শব্দদানবের আস্ফালন দেখিয়েছে বিজেপি। এনিয়ে দু'পক্ষের চাপানউতোরের মাঝেই এক গুরুতর অভিযোগ করলেন তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার।

এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে জয়প্রকাশের অভিযোগ, 'অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা সকলের নজরে আনা প্রয়োজন। শুভেন্দু অধিকারী বডিগার্ড লাইনস পুলিশ আবাসনে গিয়ে ভোটের প্রচার করেন, নির্বাচন কমিশনের কোন অনুমতি ব্যতিরেকে। কলকাতা পুলিশের কাছে আমার প্রশ্ন যে তিনি কি আগে থেকে অনুমতি নিয়েছিলেন? পুলিশ কমপাউন্ডের ভেতরে কোন পূর্ববর্তী অনুমতি ছাড়া বাইরের লোকজন নিয়ে ঢুকে পড়া কি নির্বাচন বিধি লঙ্ঘন করে না? পরবর্তীকালে কোনরকম সিকিউরিটি সমস্যা হলে তার দায় কি শুভেন্দু অধিকারী নেবেন?'

শুধু তাইই নয়, জয়প্রকাশের আরও অভিযোগ, সেখানে উপস্থিত পুলিশ কর্মচারীরাও তাঁর সমর্থনে সক্রিয়ভাবে প্রচারে অংশগ্রহণ করেছেন, স্লোগানও দিয়েছেন।নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, কর্মরত পুলিশ বা কোনও সরকারি কর্মচারীর এভাবে সরাসরি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। জয়প্রকাশবাবু এই অভিযোগ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাঁর মতে, গণতন্ত্র রক্ষায় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা অত্যন্ত জরুরি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement