shono
Advertisement

Breaking News

Indranil Sen

'বিজেপি নয়', মূল প্রতিপক্ষ অন্য কেউ! মোদি-মমতার মিল খুঁজে এ কী বললেন ইন্দ্রনীল?

'বিজেপির প্রার্থীও ঠিক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়', কেন এমন বললেন চন্দননগরের তৃণমূল প্রার্থী?
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:23 PM Mar 29, 2026Updated: 02:23 PM Mar 29, 2026

বিজেপিকে গুরুত্ব নয়। বরং 'শূন্য' হওয়া বামেদের নিয়ে বেশি চিন্তিত রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী, চন্দননগরের তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন। প্রচারসভায় তাঁর বক্তব্য, ''আমাদের প্রতিপক্ষ বিজেপি নয়। আমাদের মূল প্রতিপক্ষ বামফ্রন্ট। আমি শুনেছি, এখানে যিনি দাঁড়িয়েছেন, খুব ভালো মানুষ। কিন্তু ওঁকে একটা উপদেশ দেব। বলছেন, বাম আর রাম এক হলে নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো যায়। আমি বলছি, রাম-বামের জোট করেও মমতাকে সরানো যাবে না।''

Advertisement

মোদি-মমতার মিল খুঁজে তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য, ''দু'জনেই লাইনে দাঁড় করান। মোদির লাইনে আধার-গ্যাস লিংক করতে হয়, এসআইআরেও লাইন দিতে হবে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাইনের মধ্যে দিয়ে যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পায় মানুষ। মমতার লাইনে একশো প্রকল্প আর মোদির লাইনে মানুষ হয়রান হয়।''

মোদি আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে মিলও খুঁজে পেলেন তৃণমূল প্রার্থী। বললেন, ''দু'জনেই লাইনে দাঁড় করান। মোদির লাইনে আধার-গ্যাস লিংক করতে হয়, এসআইআরেও লাইন দিতে হবে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাইনের মধ্যে দিয়ে যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পায় মানুষ। মমতার লাইনে একশো প্রকল্প আর মোদির লাইনে মানুষ হয়রান হয়।''

গত কয়েকবছর ধরেই রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন চন্দননগর থেকে ভোটে লড়ছেন। এবারও তাঁর আসন বদলায়নি। চন্দননগরের চেনা মানুষ তিনি। তাই বলে প্রচারে জনসংযোগে এতটুকু খামতি রাখছেন না। কর্মিসভা, জনসভা করে প্রচার সারছেন। শনিবার চন্দননগরের জ্যোতির মোড়ে সভা করেন ইন্দ্রনীল সেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তাঁর কটাক্ষ, ''বিজেপির প্রার্থী হতে গেলে বায়োডাটায় দেখা হয় কত বছর তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। ওদের প্রার্থী হতে গেলে সেটাই তাঁর যোগ্যতামান। কেউ পাঁচ বছর, কেউ তিন বছর, কেউ দু'বছর। উত্তরবঙ্গের নিশীথ প্রামাণিক থেকে অর্জুন সিং, শুভেন্দু অধিকারী - সবার বায়োডাটা দেখুন। একসময়ে তৃণমূল করেছে তাঁরা, আজ বিজেপির প্রার্থী। তাই বিজেপির কে প্রার্থী হবে, আসলে সেটাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করেন।''

এরপর সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, ''এখন নতুন ট্রেন্ড হয়েছে সাংসদ মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করে ভোটে দাঁড়ানো। নরেন্দ্র মোদি যদি পদত্যাগ করে চন্দননগরে এসে ভোটে দাঁড়ান, তবুও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন। তৃণমূল বাদে বাম,বিজেপি, কংগ্রেস, আইএসএফ, হুমায়ুন কবীরের দল মিম, নির্দল সবাই মিলে জোট করুন, তবুও মমতাকে এক ইঞ্চিও সরাতে পারবেন না। আমার এখানে ২ লক্ষ ২০ হাজার ভোটারের জন্য বিগত দিনে যেভাবে কাজ করেছি, সেভাবেই করব। এই চন্দননগর আরও এগোবে। যাকে খুশি ভোট দিন। কিন্তু ভোট দেবার আগে একবার ভাবুন কী কী পান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের জন্য প্রকল্প করেননি। করেছেন রাজ্যবাসীর জন্য।'' চন্দননগরে ইন্দ্রনীল সেনের জয় একপ্রকার নিশ্চিত। শুধু প্রশ্ন হল, একুশের তুলনায় ব্যবধান কত বাড়াতে পারবেন তিনি। একইসঙ্গে এও দেখার, ইন্দ্রনীল যে বাম প্রার্থীকে সমীহ করছেন, সিপিএমের সেই মনীশ পাণ্ডা বিজেপিকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে পারেন কিনা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement