তৃতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। এই দফায় তিনটি বিধানসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার মালদহের মোথাবাড়ি বিধানসভায় মওলানা মোঃ শাহজাহান আলী (কাদরি), মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ বিধানসভায় শিক্ষক মোঃ ওদুদ হাসান ও পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম বিধানসভা আসনে জাকির গাইনের নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে আইএসএফ। এর আগে প্রথম দফায় ২৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় ৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল দল। এবার ৩ জনের নাম ঘোষণা করা হল। তিন দফায় মোট ৩১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল আইএসএফ।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা চলছে আইএসএফের। কিন্তু ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বামফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় ২৯টি আসন আইএসএফকে ছাড়া হয়েছিল। কিন্তু নওশাদ সিদ্দিকির দল আরও ৪টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে অনড় মনোভাব দেখায়। এই আসনগুলিতে বামফ্রন্টের তরফেও প্রার্থী ঘোষণা করে দেওয়া হয়। আসনগুলি হল নন্দীগ্রাম, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ভগবানগোলা ও মুরারই। এই চার আসনে যাতে বামফ্রন্ট প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেই সেই অনুরোধ জানিয়ে বামেদের ইমেল করেন নওশাদ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বামফ্রন্ট। এই আবহে আইএসএফ ক্যানিং পূর্ব আসন আরাবুল ইসলামকে প্রার্থী করায় ক্ষুব্ধ বাম নেতৃত্ব। এর জেরে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নওশাদ আগেই জানিয়েছিলেন, তৃণমূল ও বিজেপিকে পরাস্ত করতেই তাঁরা লড়াই করছেন। গত সাত মাস ধরে বামফ্রন্ট নেতৃত্বের সঙ্গে জোট নিয়ে তাঁদের আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তাতেও জট কাটেনি। কিন্তু তিনি এখনও আশাবাদী, বামফ্রন্ট তাঁদের অনুরোধ মেনে নিয়ে জোট বজায় রাখবে। যদিও শেষ পর্যন্ত এই জোটের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
