shono
Advertisement
WB Assembly Election 2026

দলবদল করে আইএসএফের প্রার্থী, প্রচার শুরু হতেই 'বাধা'র মুখে আরাবুল, কাঠগড়ায় তৃণমূল

এবার ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী 'তাজা নেতা' আরাবুল। সোমবার রাতে প্রচারে বেরতেই চন্দনেশ্বর বাজারে তাঁর মিছিলে হামলা হয় বলে অভিযোগ।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 10:00 AM Mar 24, 2026Updated: 02:07 PM Mar 24, 2026

দিন কয়েক আগে দলবদল। নতুন দল থেকে নিজের পছন্দের আসনে প্রার্থীও হয়েছেন। কিন্তু প্রথমদিন প্রচারে বেরিয়েই পুরনো দলের বাধার মুখে পড়তে হল ভাঙড়ের 'তাজা নেতা' আরাবুল ইসলামকে! সোমবার রাতের দিকে ক্যানিংয়ের চন্দনেশ্বর বাজারে আরাবুলের নেতৃত্বে প্রচার মিছিল বেরতেই হামলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, আইএসএফের ওই মিছিলে বাধা দেওয়া হয়। বাদানুবাদ থেকে মারধরে নিমেষের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ। আরাবুল অবশ্য এর নেপথ্যে যথারীতি 'পুরনো শত্রু', তৃণমূল নেতা তথা ভাঙড়ের প্রার্থী শওকত মোল্লাকেই দায়ী করেছেন। শওকত ঘনিষ্ঠ নেতা শাহজাহান মোল্লার নেতৃত্বে আইএসএফের মিছিলে এই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ আরাবুলের (Arabul Islam)। এনিয়ে সোমবার রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ২ আইএসএফ কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

Advertisement

ভাঙড় কিংবা ক্যানিংয়ে আরাবুল ইসলাম-শওকত মোল্লার লড়াই নতুন নয়। এতদিন একই দলে থেকেই একে অপরের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত ছিলেন। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগে আরাবুল ইসলাম তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকির দল আইএসএফে। আর নিজের পছন্দের আসনে প্রার্থীও হয়েছেন। এবারের ভোটে ক্যানিং পূর্ব থেকে আইএসএফের প্রতীকে লড়বেন আরাবুল। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের বাহারুল ইসলাম। অন্যদিকে, শওকত মোল্লা প্রার্থী হয়েছেন ভাঙড় কেন্দ্র থেকে। এখানে তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। ফলে এই দুটি আসনেই ভোটযুদ্ধ বেশ জমজমাট, তা স্পষ্ট।

সোমবারই আইএসএফ প্রথম দফায় ২৩ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। তাতেই রয়েছে আরাবুল ইসলাম, নওশাদ সিদ্দিকিদের (Naushad Siddiqui) নাম। আর প্রার্থী ঘোষণা হতেই প্রচারে নেমে পড়েছেন আরাবুল। সোমবার সন্ধ্যার পর চন্দনেশ্বর বাজারে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করছিলেন তিনি। অভিযোগ, আচমকাই কয়েকজন মিছিলে বাধা দেন। ছড়িয়ে পড়ে অশান্তি। খবর পেয়ে পুলিশ ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনে। অশান্তিতে উসকানির অভিযোগে আইএসএফের দুই কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আর তাতেই যেন আগুনে ঘি পড়ে। কর্মীদের মুক্তির দাবিতে আরাবুল (Arabul Islam) নিজে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশের প্রতিশ্রুতি আদায় করে তবেই বিক্ষোভ প্রত্যাহার করেন। সোমবারের এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের দাবি, এবার আরাবুল-শওকত দ্বন্দ্ব হয়তো একেবারে খুল্লামখুল্লাই চলবে। এখন তো দু'জন দুই আলাদা দলে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement