shono
Advertisement

Breaking News

West Bengal Assembly Election

'খুনের আসামি’, অর্জুনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে নোয়াপাড়ায় নয়া স্লোগান বাঁধলেন তৃণাঙ্কুর

নোয়াপাড়া থেকে জিতলে কী কী কাজ করবেন, তার তালিকাও দিলেন তরুণ তৃণমূল প্রার্থী।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 09:17 PM Apr 02, 2026Updated: 09:43 PM Apr 02, 2026

ছাব্বিশের ভোটে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের নোয়াপাড়া অন্যতম হটস্পট। এখান থেকে গেরুয়া শিবিরের সৈনিক ভাটপাড়ার 'বাহুবলী' নেতা অর্জুন সিং। আর এহেন শক্তিশালী প্রার্থীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের তুরুপের তাস টিএমসিপির রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। তবে লড়াই মোটেও অসম নয়। বৃহস্পতিবার নোয়াপাড়ায় প্রচারে গিয়ে সেটাই আরও স্পষ্ট করে দিলেন ঘাসফুল শিবিরের তরুণ নেতা। অর্জুন সিংকে ‘খুনের আসামি’ বলে গোড়া থেকে সুর চড়িয়েছেন তৃণাঙ্কুর। নতুন স্লোগান তুলে বললেন, ‘নোয়াপাড়ায় গুন্ডারাজের স্থান নেই।’

Advertisement

বৃহস্পতিবার দলীয় নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনের পর সাংবাদিক বৈঠকে এই বার্তা দেন তৃণাঙ্কুরের অভিযোগ, “যিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তিনি খুনের আসামি, জেল খেটেছেন। তাঁর লোকজন এলাকায় ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। নোয়াপাড়ায় গুণ্ডারাজ চলবে না। আমাদের স্লোগান — ‘শান্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য চাই/ গুন্ডারাজের স্থান নাই’।”

বৃহস্পতিবার নির্বাচনের মুখে নোয়াপাড়ায় বিরোধী প্রার্থীকে ‘খুনের আসামি’ বলে কড়া আক্রমণ শানালেন তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। একইসঙ্গে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও নাগরিক পরিষেবা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের নতুন স্লোগান বেঁধে দিলেন। বৃহস্পতিবার দলীয় নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনের পর সাংবাদিক বৈঠকে এই বার্তা দেন তৃণাঙ্কুরের অভিযোগ, “যিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তিনি খুনের আসামি, জেল খেটেছেন। তাঁর লোকজন এলাকায় ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। নোয়াপাড়ায় গুণ্ডারাজ চলবে না। আমাদের স্লোগান — ‘শান্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য চাই/ গুন্ডারাজের স্থান নাই’।” এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নে তৃণমূল প্রার্থী স্পষ্ট করে বলেন, “আমি জিতলে কোনও দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মারপিট বা অশান্তি হতে দেব না। কাউকে ভয় দেখানো চলবে না।”

এদিন তৃণাঙ্কুর জানান, গত দু’সপ্তাহ ধরে এলাকায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। রেল ব্রিজ সমস্যা, পানীয় জল সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মতো স্থানীয় ইস্যুগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমাধানের আশ্বাস দেন। মিউনিসিপ্যালিটির সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। তৃণাঙ্কুর বলেন, “১০০ শতাংশ কাজ হয়তো হয়নি, তবে ১০০-র কাছাকাছি পৌঁছতে চাই।” ছাত্রছাত্রীদের জন্য কেরিয়ার কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি। স্বাস্থ্য পরিষেবায় জোর দিয়ে স্থানীয় হাসপাতালের উন্নয়নের আশ্বাসও দেন। শেষে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সুরে তৃণাঙ্কুরের দাবি, “সংগঠন ও উন্নয়নের জোরেই নোয়াপাড়ায় আমরা রেকর্ড লিড দেব।”

নোয়াপাড়ার রাজনৈতিক জমি বরাবর উত্তপ্ত থাকে। বিশেষত অর্জুন সিংয়ের দাপটে আতঙ্কের পরিবেশ এখানে। কিন্তু এহেন অর্জুনকে রাজনৈতিকভাবে দমন করতেই তৃণমূলের সৈনিক তৃণাঙ্কুর। তিনি কি পারবেন নোয়াপাড়ার মাটিতে শান্তি ফেরাতে? তা বোঝা যাবে ৪ মে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement