বঙ্গে ভোটের প্রথম দিনও রাজনৈতিক প্রচারে উষ্ণ হয়ে উঠল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিনভর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষ্ণনগর, মথুরাপুর ও হাওড়ায় জনসভা করেছেন। সভাগুলি থেকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তৃণমূলকে একের পর এক আক্রমণে বিদ্ধ করেছেন তিনি। এবার পালটা জনসভায় তা নিয়ে পালটা আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে চৌরঙ্গীতে দলের প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘কোন সাহসে ভোটের দিন এসে এখানে প্রচার করছে! এসেছে হাওয়া গরম করতে।''
তৃণমূলনেত্রীর কথায়, ‘‘ভোটের দিনও টেলিপ্রম্পটার দেখে প্রচার করতে এসেছেন বাংলায়! আসলে এসেছেন হাওয়া গরম করতে। বিজেপির এজেন্ট তো নেই। ওটা তো এজেন্সি হয়ে গেছে। এখানে এতগুলো আসনে ভোট হচ্ছে আর ভোটের দিন বলছেন আপনারা জিতছেন! কীভাবে বলছেন? এটা তো জনগণ ঠিক করবেন।''
এদিন প্রথম দফা ভোট সত্ত্বেও দিনের দ্বিতীয় ভাগে একাধিক প্রচার কর্মসূচি রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চৌরঙ্গী ও যাদবপুরে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা এবং ভবানীপুরে পদযাত্রা। প্রথম সভা চৌরঙ্গী থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সভা নিয়ে কটাক্ষ করলেন তিনি। তৃণমূলনেত্রীর কথায়, ‘‘ভোটের দিনও টেলিপ্রম্পটার দেখে প্রচার করতে এসেছেন বাংলায়! আসলে এসেছেন হাওয়া গরম করতে। বিজেপির এজেন্ট তো নেই। ওটা তো এজেন্সি হয়ে গেছে। এখানে এতগুলো আসনে ভোট হচ্ছে আর ভোটের দিন বলছেন আপনারা জিতছেন! কীভাবে বলছেন? এটা তো জনগণ ঠিক করবেন।''
প্রথম দফায় ভোটদানের হার বেশ ভালো। বিকেল ৫টা পর্যন্তই ১৫২ আসনে গড়ে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই হারে খুশি রাজনৈতিক দলগুলি। সকলেরই আশা, তাদের পক্ষে ভোট পড়েছে। এত ভোটদান নিয়েও ব্যাখ্যা করলেন তিনি। মমতার কথায়, ‘‘কেন এত ভোট পড়েছে জানেন? কারণ, এই নির্বাচন মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াই। সেটা সবাই বুঝেছেন। এরপর নইলে এনআরসি করে নাম বাদ দিয়ে ডি-ভোটার করে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেবে। মানুষ সেটা খুব ভালোভাবে বুঝেছেন।''
