সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ করাতে পারেনি বিজেপি। ভোটাভুটিতে হেরেছে মোদি সরকার। সংসদে ১২ বছর পর হারল বিজেপি সরকার। সেই বিষয়ে এবার সভামঞ্চ থেকে মোদি -শাহের সরকারকে তীব্র খোঁচা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee On PM Modi)। এই ঘটনাকে 'পতনের শুরু' বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। আগামী দিনে দিল্লি দখলের বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। "দিল্লি দখলের পর ওঁদের একটু নাড়ু করে পাঠাব।" তীব্র খোঁচা দিলেন তিনি। আজ, রবিবার হুগলির তারকেশ্বরে তৃণমূল প্রার্থীদের প্রচারে জনসভা করেন মমতা।
এদিন বক্তব্যে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। সংসদে ভোটাভুটিতে মোদি সরকারের হার হয়েছে। সেই ইস্যুতে এবার কেন্দ্রের সরকারকে খোঁচা দিলেন মমতা। তাঁর কথায়, "লোকসভায় যা রায় হয়েছে, এই সরকার টিকবে না। ছাব্বিশেই পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। যাব যাব করছে।" সংসদে ভোটাভুটি নিয়ে এদিন তিনি বলেন, "পরশুদিনও আমাদের আটজন যেতে পারেনি। শিবসেনাও যেতে পারেনি। আরও ২৫-৩০ জন যেতে পারেনি। সবাই গেলে, সংখ্যাটা যোগ করলেন দেখুন বিজেপি গো-হারা হারবে। হারিয়ে দেব আগামী দিন। পরশুদিন যেমন হারিয়েছি। আগামী দিন পুরো হারাব।"
এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আগামী দিন বুঝে নেব। নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর রেখে দিন। দিল্লি দখল করার পর ওদের মিষ্টি পাঠাব। একটু নাড়ু করে পাঠাব।" প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত, সেই দাবিও করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন মমতা বলেন, "ক্ষমতায় এলে ১৫ লক্ষ দেওয়া হবে, কেউ পেয়েছেন? টাকা না পেলে মিথ্যা কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাহলে পদত্যাগ করা হবে।" নরেন্দ্র মোদি 'বহিরাগত' বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। বাংলায় নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে লড়াই করলে মোদি হেরে যাবেন, সেই কথাও এদিন জোর গলায় দাবি করেছেন দলনেত্রী।
কেন্দ্রীয় এজেন্সি তৃণমূলের প্রার্থী, অন্যান্যদের বাড়িতে ফের হানা দিয়েছে। সেই নিয়েও তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন মমতা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নাম না করে নিশানা করেন, "তৃণমূলের বাড়ি রেইড হবে! বিজেপির কেন হবে না? সব চেয়ে বড় চোর তো গদ্দার। তাঁর বাড়ি রেইড হবে না কেন? তাঁর ভাইয়ের বাড়ি রেইড হবে না কেন? তাঁর বাবার বাড়ি রেইড হবে না কেন?"
