shono
Advertisement
WB Assembly Election 2026

কালনার তাঁতশিল্পীদের দরবারে নির্মলা, 'সমস্যা সমাধানের সূত্র পেলাম না', বলছেন স্থানীয়রা

কালনায় বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ মজুমদারের ভোটপ্রচারে এসে তাঁতশিল্পীদের থেকে পাঠ নিলেন নির্মলা সীতারমণ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসেও আশার আলো দেখছেন না স্থানীয়রা।
Published By: Sayani SenPosted: 05:21 PM Apr 15, 2026Updated: 05:34 PM Apr 15, 2026

ভোট আসে। ভোট যায়। আশ্বাসের ফুলঝুরিরও সাক্ষী তাঁরা। তবে বছরের পর বছর দিন কাটে একইরকম। বলা ভালো, লাভের অঙ্কের গ্রাফ দিন দিন নিম্নমুখী। এই আবহে ছাব্বিশের ভোটে (WB Assembly Election 2026) ফের তাঁতশিল্পীরাই যেন শাসক-বিরোধী সকলের কাছে বড় ফ্যাক্টর। কালনায় বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ মজুমদারের ভোটপ্রচারে এসে তাঁতশিল্পীদের থেকে পাঠ নিলেন নির্মলা সীতারমণ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসেও আশার আলো দেখছেন না স্থানীয়রা।

Advertisement

নির্মলা বলেন, "বাংলায় পরিবর্তন জরুরি। গরিব মানুষের ভালো হোক। সিন্ডিকেটরাজ নিপাত যাক। ঘরে এসে মহিলাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমন কখনও হবে না। বামেদের মতো করে বাংলাকে চালাচ্ছে তৃণমূল। তাতে আমজনতার লোকসান হচ্ছে।" তাঁর মতে, "তাঁতশিল্পীদের জন্য তৃণমূল সরকার কিছুই করেনি।"

বুধবার কালনার শ্রীরামপুর আশ্রমপাড়ায় বিজেপির হ্যান্ডলুম ও লিভার সেলের প্রদেশ তাঁতশিল্পী সম্মেলনে যোগ দেন নির্মলা। নিজের হাতে তাঁত বুনলেন। এলাকার তাঁতিদের মন জয়ের চেষ্টা করলেন। বাম ও শাসক শিবির তৃণমূলকে একযোগে খোঁচা দেন। বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্মলা বলেন, "বাংলায় পরিবর্তন জরুরি। গরিব মানুষের ভালো হোক। সিন্ডিকেটরাজ নিপাত যাক। ঘরে এসে মহিলাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমন কখনও হবে না। বামেদের মতো করে বাংলাকে চালাচ্ছে তৃণমূল। তাতে আমজনতার লোকসান হচ্ছে।" তাঁর মতে, "তাঁতশিল্পীদের জন্য তৃণমূল সরকার কিছুই করেনি।" এরপর কালনায় দাঁড়িয়ে উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের দুরবস্থা ইস্যুতেও সুর চড়ান নির্মলা। তিনি দাবি করেন, "চা বাগানেও গরিবি। মোদিজি চা শিল্পীদের জন্য অনুদান দিয়ে বসে আছেন। অসমের উন্নতি হয়েছে। বাংলার সরকারের জন্য এখনও দুর্ভোগে চা শিল্পীরা।" বিজেপিকে ভোট (WB Assembly Election 2026) দিলে পাহাড় থেকে সমতলের প্রত্যেক বাসিন্দাদের দুর্ভোগের দিন শেষ হবে বলেই আশ্বাস তাঁর।

এদিকে, নির্মলাকে দেখেও আশার আলোও মোটেও দেখছেন তাঁতশিল্পী। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে এদিন হাতে ধরে তাঁতবোনা শেখালেও আশার আলো দেখছেন না স্থানীয় এক মহিলা। তিনি বলেন, "তাঁতবোনা শেখালাম। আমার পাশে বসলেন। গায়ে হাত বুলিয়ে কথা বললেন। আমি খুব খুশি হয়েছি। ওঁর (নির্মলা সীতারমণ) চেয়ে আমি বেশি খুশি হলাম।" তবে একটাই আক্ষেপ, "সমস্যা সমাধানের সূত্র কিছু পেলাম না।" উল্লেখ্য, মসলিন জামদানি থেকে তাঁতের শাড়ি - প্রিমিয়াম বস্ত্র উৎপাদন ও নকশায় কালনার তাঁতশিল্পীদের হাতের কাজ প্রশংসার দাবি রাখে। বছর দুয়েক আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং কালনার তাঁতশিল্পীদের প্রশংসা করেছিলেন। তা সত্ত্বেও যে তিমিরে ছিলেন সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছেন তাঁতশিল্পীরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement