চলতি মাসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা হওয়ার কথা। এখান থেকেই তিনি বিধানসভা ভোটের প্রচারের সুর চড়াবেন সপ্তমে। কথা ছিল, ১৫ মার্চ ব্রিগেডে মোদি সভা করবেন। কিন্তু সভার সপ্তাহখানেক আগে জানা গেল, দিন পরিবর্তন হচ্ছে। ১৫ নয়, ১৪ মার্চ ব্রিগেডে মোদির সভা। দিনক্ষণ নিশ্চিত করেছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। জানা যাচ্ছে, ১৩ তারিখ রাতেই কলকাতায় পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৪ তারিখ, শনিবার ব্রিগেডে জনসভা থেকে বিধানসভা ভোটের হাইভোল্টেজ প্রচার কর্মসূচি সেরে ওইদিনই দিল্লি ফিরে যাবেন। বঙ্গ বিজেপির অন্দরের খবর এমনই।
কথা ছিল, ১৫ মার্চ ব্রিগেডে মোদি সভা করবেন। কিন্তু সভার সপ্তাহখানেক আগে জানা গেল, দিন পরিবর্তন হচ্ছে। ১৫ নয়, ১৪ মার্চ ব্রিগেডে মোদির সভা। দিনক্ষণ নিশ্চিত করেছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। জানা যাচ্ছে, ১৩ তারিখ রাতেই কলকাতায় পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৪ তারিখ, শনিবার ব্রিগেডে জনসভা থেকে বিধানসভা ভোটের হাইভোল্টেজ প্রচার কর্মসূচি সেরে ওইদিনই দিল্লি ফিরে যাবেন। বঙ্গ বিজেপির অন্দরের খবর এমনই।
আগামী সপ্তাহেই হয়ত রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে। মাস পেরলেই পুরোদমে ভোট বঙ্গে। তার আগে এখন থেকেই রাজনৈতিক প্রচারের পারদ চড়ছে যুযুধান পক্ষের শিবিরে। তারই একটা বঙ্গে গেরুয়া ঝড় বইয়ে দিতে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা। আসলে বঙ্গ রাজনীতিতে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের গুরুত্ব আলাদা। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে প্রচারের জন্য ৭ মার্চ ব্রিগেডে জনসভা করে গিয়েছিলেন মোদি। এবার পাঁচ বছর পর আরেক বিধানসভা ভোট। তার আগে বঙ্গে পদ্মবন আরও প্রস্ফুটিত করতে বিজেপির চেষ্টার অন্ত নেই। দুর্বল সংগঠন নিয়েও এবার তারা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবর্তন যাত্রার নামে রথযাত্রা বের করেছে। সেই রথযাত্রার সমাপ্তি হওয়ার কথা ব্রিগেডে, মোদির জনসভার মাধ্যমে।
সেই লক্ষ্যেই আগামী রবিবার প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড কর্মসূচি স্থির হয়েছিল। কিন্তু যে কোনও কারণে হোক, তা একদিন এগিয়ে আনা হয়েছে। অর্থাৎ ১৫ মার্চের বদলে ১৪ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভা করবেন মোদি। ভোটের একেবারে প্রাক্কালে বাংলা জিততে এবার নতুন করে দলীয় কর্মীদের কোন দাওয়াই দেন, সেদিকে নজর থাকবে সকলের।
