বুধবার রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকেও ভোট কালই। তার আগে বিজেপি নেতার কার্যালয়ে তল্লাশি ঘিরে উত্তপ্ত তমলুক। ভোটারদের টাকা-শাড়ি বিলি করার অভিযোগ তমলুকের বিজেপি নেতা দিবাকর জানার বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়েই যৌথভাবে হানা দেয় পুলিশ ও বাহিনী।
তমলুকের তৃণমূল নেতা সুমিত সামন্তর অভিযোগ, "তমলুকের বিজেপি প্রার্থী হরেকৃষ্ণ বেরার সমর্থনে প্রচার কৌশল হিসেবে বিজেপি নেতা দিবাকর জানা তাঁর কার্যালয় থেকে টাকা ও শাড়ি বিলি করছেন ভোটারদের। পরাজয় নিশ্চিত জেনে পিছনের দরজা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে বিজেপি।"
তৃণমূলের অভিযোগের পরেই তেড়েফঁড়ে অভিযানে নামে পুলিশ ও বাহিনী। বুধবার ভরদুপুরে বিজেপি নেতার কার্যালয়ে টানা ঘণ্টাখানেক তল্লাশি চালানো হয়। শাসকদলের অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির পালটা দাবি, "কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দলীয় পতাকা, প্লাস্টিকের টেবিল-চেয়ার ছাড়া কিছুই পায়নি পুলিশ।"
অন্যদিকে, ভোটের আগের দিন তমলুকে ডিসিআরসিতে চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ উঠেছে। তমলুকের ছয় বিধানসভায় ডিসিআরসি ক্যাম্প করা হয়েছে। মাতঙ্গিনী হাজরা গর্ভমেন্ট মহিলা কলেজের ডিসিআরসিতে মহিলা ভোটকর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রথম দফায় পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬ আসনে নির্বাচন। তার মধ্যেই তমলুক আসনও রয়েছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তমলুকে পরাজিত প্রার্থী হরেকৃষ্ণ বেরাকেই ছাব্বিশের নির্বাচনে ফের দাঁড় করিয়েছে পদ্মশিবির। তৃণমূলের অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে এই প্রচার-কৌশল ছাব্বিশের নির্বাচনে কাজে আসবে গেরুয়াদলের? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
