বহুতলের বাসিন্দাদের ভোটদানে অনীহা কাটাতে আবাসনের ভিতরে বুথের ব্যবস্থা করে কমিশন। তাতেই বিপুল সাড়া বহুতলের বাসিন্দাদের। উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন তাঁরা। বহুতলে ভোট বাড়ল ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। আগামিদিনে বুথের সংখ্যা ৮৭ থেকে আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে কমিশন। আবার দক্ষিণ কলকাতার চারটি আসনের ভোট গণনায় কোনও অনিয়ম হয়নি বলে দাবি কমিশনের। গানা শেষে খুশির হাওয়া কমিশনের অন্দরে।
মঙ্গলবার বিকেলে সিইও মনোজ আগরওয়াল, পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ও পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্রার নেতৃত্বে কমিশনের সমস্ত আধিকারিকরা গঙ্গাবক্ষে নৌকাবিহার করেন। বহুতলের বাসিন্দাদের নিয়ে প্রথম থেকেই চিন্তায় ছিল নির্বাচন কমিশন। কোথাও আতঙ্কে, দীর্ঘ সময় কোথাও লাইনে দাঁড়ানোর মতো বিরক্তিকর অভিজ্ঞতার জন্য ভোট দিতে যেতেন না। তাই ভোটদানে উৎসাহ দিতে বহুতলে বুথ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। রাজ্যে ৮৭টি বুথ করা হয়। তাতেই কেল্লাফতে। ব্যাপক হারে বাড়ল ভোটদান। যেমন, রেনেসাঁ টাউনশিপের দু'টি বুথে ভোট পড়েছে ৭৬ শতাংশ। আবার স্পেস টাউন হাউজিং কমপ্লেক্সে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশের বেশি। হাইল্যান্ড গ্রিন হাউস কমপ্লেক্সে ভোট পড়েছে ৯২ শতাংশ। ভবিষ্যতে বুথের সংখ্যা বাড়লে ভোট দানের সংখ্যাও বাড়বে বলে জানিয়েছেন কমিশনের এক শীর্ষকর্তা।
এদিন কমিশনের তরফে জানানো হয়, ভোট গণনায় কোনও অনিয়ম হয়নি। সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে, নিয়ম মেনেই গণনা ও ফলপ্রকাশ হয়েছে। ডিইও দক্ষিণ কলকাতার রিপোর্ট উল্লেখ করে কমিশন দাবি করল, যা হয়েছে, সমস্তটাই নিয়ম মেনে হয়েছে। গণনা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।
