বয়স আর অভিজ্ঞতা কম। কিন্তু লড়াইয়ে বাঘা বাঘা নেতাদের কুপোকাত করে তিনিই হয়ে উঠেছেন 'বাজিগর'। ছাত্রজীবন থেকে রাজনৈতিক কেরিয়ারের ধাপে ধাপে উঠে এবার তিনি সটান পা রাখবেন রাজ্য বিধানসভায়। কে বলতে পারে, রাজ্য মন্ত্রিসভাও আলো করে বসতে পারেন তিনি। ভাবছেন তো কার কথা হচ্ছে? তিনি বিরাজ বিশ্বাস। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘি থেকে জিতে আসা বিজেপি প্রার্থী। মাত্র ৩১ বছর বয়সে এই সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আরএসএস থেকে উঠে এসে এবিভিপির দায়িত্ব সামলানো বিরাজ মন্ত্রিসভার সদস্য হলে তিনিই হবেন সবচেয়ে কমবয়সী মন্ত্রী।
করণদিঘির ভূমিপুত্র গোড়ার দিকে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য থেকে রাজ্য সম্পাদক পদে ধাপে ধাপে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে এবিভিপির সর্বভারতীয় সম্পাদক পদেও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন বিরাজ। আগাগোড়া দলের প্রতি দায়বদ্ধতা, ভালোবাসাই শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে এনেছেন তাঁকে। ফলস্বরূপ, ছাব্বিশের বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলে বিরাজের উপর ভরসা রেখেছে বিজেপি।
বিরাজের হয়ে প্রচারে রাজনাথ সিং। ছবি: ফেসবুক
কেন বিরাজকে নিয়ে এত আলোচনা? তা বোঝার আগে একটু বিরাজের কেরিয়ারের দিকে নজর দেওয়া হোক। করণদিঘির ভূমিপুত্র গোড়ার দিকে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য থেকে রাজ্য সম্পাদক পদে ধাপে ধাপে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে এবিভিপির সর্বভারতীয় সম্পাদক পদেও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন বিরাজ। আগাগোড়া দলের প্রতি দায়বদ্ধতা, ভালোবাসাই শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে এনেছেন তাঁকে। ফলস্বরূপ, ছাব্বিশের বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলে বিরাজের উপর ভরসা রেখেছে বিজেপি। করণদিঘি থেকে তাঁকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী করা হয়েছিল। সেই ভরসা ষোল আনা রেখেছেন এবিভিপির প্রাক্তন নেতা।
করণদিঘির হেভিওয়েট নেতা গৌতম পালকে বিরাজ ২০ হাজার ভোটে পরাজিত করেন। জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, মাফিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই ছিল। তা কঠিন হলেও জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাস ছিল। এই আত্মবিশ্বাসই সম্ভবত বিরাজকে মাত্র ৩১ বছর বয়সে এই সাফল্যের স্বাদ দিয়েছে। বিধানসভায় পা রেখে কি এবার মন্ত্রিত্ব প্রাপ্তি? সেসব আশা বিশেষ করেন না বিরাজ। বলছেন, “আমার কোনও চাওয়াপাওয়া নেই। এখন দল যেটা ভালো মনে করবে সেটাই করবে। আমি শুধু মানুষের জন্য শুধু কাজ করতে চাই।”
