মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের ২৪ ঘণ্টা কাটেনি এখনও। এর মধ্যেই সিএমও দপ্তরের প্রশাসনিক রদবদল শুরু। শনিবারই মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, বাংলার নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে। রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবালয় অর্থাৎ সিএমও-তে জুড়লেন দুই আইএএস আধিকারিক। সাতজন ডব্লিউবিসিএস আধিকারিককেও নিয়োগ করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে।
রাজ্যে সরকারের প্রশাসনিক দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের যুগ্মসচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছে দুই আইএএস আধিকারিককে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পি প্রমথ (আইএএস ২০১৯ ব্যাচ) ও নবনীত মিত্তল (আইএএস ২০২০ ব্যাচ)-কে যুগ্মসচিব পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সিএমও দপ্তরে এক জোড়া তরুণ আইএএস। জারি বিজ্ঞপ্তি।
রবিবার আরও সাতজন ডব্লিউবিসিএস আধিকারিককে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি পদে নিয়োগ করা হয়েছে। যাঁদের মধ্যে অনেকেই নন্দীগ্রামের ইআরও এবং আরও ছিলেন।
৭ জন ডব্লিউবিসিএস আধিকারিককে সিএমও দপ্তরে নিয়োগ করা হয়েছে। জারি বিজ্ঞপ্তি।
শনিবার ব্রিগেডে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতেই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিয়োগ করা হয়েছে। ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের পরই সেই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলেই তাঁর উপদেষ্টা পদে নাম ঘোষণা হল সুব্রত গুপ্তর। এছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সচিব হলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক শান্তনু বালা। নতুন সরকার গঠনের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই প্রশাসনিক রদবদল যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য। সরকার পরিচালনার টিম তৈরিতে নির্দিষ্ট দপ্তর থেকে আধিকারিক বাছাই অন্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
