ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবি। কী কারণে এমন ভয়ংকর পরিণতি, দলের অন্দরে চলছে কাটাছেঁড়া। তারই মাঝে প্রকাশ্যে 'দলবিরোধী' মন্তব্য করেছেন অনেকে। কেউ কিছু বললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে বলে আগেই জানিয়েছিল একদা শাসক শিবির। এবার পাঁচ মুখপাত্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল তৃণমূল। তাঁদের শোকজ (TMC Show Cause) করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছে।
তৃণমূলের ভরাডুবির পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে নানা বিশ্লেষণ। কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং কোহিনুর মজুমদার ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সুর চড়ান।
পাঁচ মুখপাত্রের মধ্যে রয়েছেন কোহিনুর মজুমদার, ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষ। দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির তরফে ডেরেক ও'ব্রায়েন শোকজ নোটিস পাঠান ওই পাঁচজনকে। দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের দায় কেন তাঁদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে না, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা জানাতে হবে।
বলে রাখা ভালো, তৃণমূলের ভরাডুবির পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে নানা বিশ্লেষণ। কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং কোহিনুর মজুমদার ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সুর চড়ান। অভিষেকের ‘ব্যর্থতা’য় দলে এমন ভরাডুবি বলেই দাবি করা হয়। তারপরই দলের তরফে বিবৃতি জারিও করা হয়। অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনওপ্রকার সমালোচনা, ক্ষোভপ্রকাশ বরদাস্ত নয় বলেই বিবৃতি জারি করে জানানো হয়। আবার এদিকে, গত মঙ্গলবার কালীঘাটে জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠকে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভা ভোটে অভিষেকের পরিশ্রম নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। ভোটের আগে ঠিক কীভাবে দলের জন্য কাজ করে গিয়েছেন তিনি তা নিয়ে কথা বলেন। এরপরই সকলকে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শনের কথাও বলেন। সেই অনুযায়ী সকলেই উঠে দাঁড়ান। তালিকায় ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম এবং জাভেদ খানেদের মতো বর্ষীয়ান নেতারাও। তারপরই পাঁচ মুখপাত্রকে শোকজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
