shono
Advertisement
Kolkata Traffic

ব্রিগেডে বিজেপি সরকারের শপথে কলকাতায় যান নিয়ন্ত্রণ, বন্ধ থাকবে কোন কোন রাস্তা?

শনিবার ব্রিগেডের নিরাপত্তায় থাকছে প্রায় চার হাজার পুলিশ। পুরো ব্রিগেডকে ভাগ করা হয়েছে ৩০টি সেক্টরে। প্রত্যেকটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকছেন একজন করে ডেপুটি কমিশনার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশকর্তা। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন একাধিক ইন্সপেক্টর, সাব ইন্সপেক্টর, এএসআই ও কয়েকজন করে কনস্টেবল। এছাড়াও প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও মোতায়েন করা হতে পারে ব্রিগেডে।
Published By: Sayani SenPosted: 03:31 PM May 08, 2026Updated: 06:16 PM May 08, 2026

রাত পোহালেই নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শনিবার শপথ অনুষ্ঠানে। থাকবেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং অমিত শাহ (Amit Shah)-সহ আরও অনেক ভিভিআইপি। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হচ্ছে শহর। তাই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

Advertisement

মূলত যান নিয়ন্ত্রণ (Kolkata Traffic) করা হবে এসপ্ল্যানেড, কেপি রোড, হসপিটাল রোড, লাভার্স লেন, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ এবং কুইনস্ ওয়ে। এদিন ভোর ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মালবাহী গাড়ি চলাচলও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রয়েছে - ওষুধপত্র, অক্সিজেন, শাকসবজি, মাছ, ফল, দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় গাড়ি যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আবার এলপিজি সিলিন্ডারবাহী মালগাড়ি, সিএনজি, পেট্রোলিয়ামের ক্ষেত্রেও থাকবে ছাড়পত্র।

কলকাতার বেশ কয়েকটি রাস্তায় পার্কিংয়ের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের পাশের রাস্তা এজেসি বোস রোডের কিছু অংশ থেকে হেস্টিংস ক্রসিং, ক্যাথিড্রাল রোড, খিদিরপুর রোড, হসপিটাল রোড, কুইনস্ ওয়ে, লাভার্স লেনের পাশে গাড়ি পার্কিং করা যাবে না। এছাড়া পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও বেশ কয়েকটি রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, শনিবার ব্রিগেডের নিরাপত্তায় থাকছে প্রায় চার হাজার পুলিশ। পুরো ব্রিগেডকে ভাগ করা হয়েছে ৩০টি সেক্টরে। প্রত্যেকটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকছেন একজন করে ডেপুটি কমিশনার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশকর্তা। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন একাধিক ইন্সপেক্টর, সাব ইন্সপেক্টর, এএসআই ও কয়েকজন করে কনস্টেবল। এছাড়াও প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও মোতায়েন করা হতে পারে ব্রিগেডে। পুরো ব্রিগেডের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশকর্তারা। হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য হেলিপ্যাডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ব্রিগেডে বসানো হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক ডোরফ্রেম মেটাল ডিটেক্টর ও পুলিশকর্মীদের হাতে থাকবে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর। ড্রোনের পাশাপাশি ওই চত্বরে একাধিক বহুতলের ছাদ থেকে বাইনোকুলার নিয়ে চলবে ব্রিগেডের উপর কড়া নজরদারি। পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভির ক্যামেরা বসানো হবে ব্রিগেডের বিভিন্ন জায়গায়। রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সকাল থেকে মঞ্চে বাজবে রবীন্দ্র সংগীত। ব্রিগেডের প্রবেশপথ সেজে উঠছে বাংলার সংস্কৃতিতে। ব্রিগেড প্যারেডে তিনটি অংশ থাকছে হ্যাঙারে। মাঝের হ্যাঙারে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপাল। শপথের পর সই করার জন্য থাকছে রাইটিং ডেস্ক। বাঁদিকের অংশে থাকছে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মঞ্চ। এখানেই অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা। ডানদিকে রাজ্য মন্ত্রিসভার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাকি দুটি হ্যাঙারে আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার ব্যবস্থা। ঝালমুড়ি ও রসগোল্লার স্টলও রাখা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement