shono
Advertisement
Election Commission

নজরদারি ছেড়ে ইফতার পার্টিতে! ৭ জওয়ানকে 'শাস্তি' দিল কমিশন

নিজের দায়িত্ব পালনের বদলে অনুষ্ঠানে যোগ। মুর্শিদাবাদে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সাত জওয়ানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের।
Published By: Sayani SenPosted: 05:43 PM Mar 25, 2026Updated: 06:05 PM Mar 25, 2026

নিজের দায়িত্ব পালনের বদলে অনুষ্ঠানে যোগ। মুর্শিদাবাদে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সাত জওয়ানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। প্য়ারামিলিটারি বিধি অনুযায়ী, দু'জনকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে রাজ্য়ের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই খবর।

Advertisement

প্য়ারামিলিটারি বিধি অনুযায়ী, দু'জনকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে রাজ্য়ের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই খবর।

জানা গিয়েছে, ঘটনাটি সপ্তাহখানেক আগের। রমজান মাসে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নিমতিতার একটি ইফতার পার্টিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাত জওয়ান যোগ দেন বলেই খবর। ওই ইফতার পার্টি স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান আলিয়ারা বিবির স্বামী সামিউল হকের ছিল বলেই জানা গিয়েছে। সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দাবি, তাঁরা কোথাও যাননি। বিএসএফ ক্যাম্পেই ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। স্থানীয় প্রধানও সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন। এদিকে, ছবি ভাইরাল হওয়ার পর তা নজরে আসে কমিশনের। ওই সাতজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়।

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের (West Bengal Assembly Election) কাজে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এলাকার কারও কাছ থেকে কোনও সুবিধা নিতে পারেন না। কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানেও তাঁরা যেতে পারেন না। আর সেই নিয়মবিরুদ্ধ কাজই করেছেন ওই সাতজন। সে কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। প্যারামিলিটারি বিধি মেনে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে দু'জনকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে। বাকিদের রাজ্যের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই খবর।

বলে রাখা ভালো, এবার বাংলায় ভোট (West Bengal Assembly Election) ঘোষণার বেশ কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছয়। জওয়ানরা কী করছেন, সেদিকে কড়া নজর রেখেছে কমিশন। তাঁদের নজরদারির জন্য জিপিএস ট্র্যাকার, বডি ক্যামেরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। বাহিনীকে বসিয়ে রাখা হচ্ছে কিনা অথবা তাঁদের সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন কিংবা রুটমার্চের সময় কোন কোন জায়গায় যাচ্ছেন তাঁরা, সেসব নজরে রেখেছে কমিশন। সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেই সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার অভিযোগে কঠোর নির্বাচন কমিশন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement