ভোট দিতে গিয়ে একটি বুথে একটিমাত্র ইভিএমই দেখা যায়। তবে ছাব্বিশের ভোটে (WB Assembly Election 2026) একেবারে নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছেন ভাঙড়বাসী (Bhangar)। কারণ, ভাঙড়ের প্রত্যেক বুথে থাকবে জোড়া ইভিএম। বাংলার মধ্যে একমাত্র ভাঙড়ের প্রত্যেক বুথেই পাশাপাশি রাখা থাকবে দু'টি ইভিএম। এমনই অভূতপূর্ব বন্দোবস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কেন এমন ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ, স্বাভাবিকভাবেই উঠছে সে প্রশ্ন।
ইভিএমে সর্বোচ্চ ১৬টি বোতাম রয়েছে। ১৫টি বোতামে থাকে প্রার্থীদের নাম। সবশেষ যে বোতামটি, সেটি 'নোটা'। সেক্ষেত্রে যেকোনও বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রার্থী হওয়া প্রয়োজন ১৫। তবে এবার ভাঙড়ে ভোটে লড়ছেন রাজনৈতিক দলের ৭ জন প্রার্থী। নির্দল হিসাবে সেখানে ভোটে লড়ছেন ১২ জন। সবমিলিয়ে প্রার্থীর সংখ্যা ১৯। সুতরাং একটি ইভিএমে ভোট হওয়া সম্ভব নয়।
ইভিএমে সর্বোচ্চ ১৬টি বোতাম রয়েছে। ১৫টি বোতামে থাকে প্রার্থীদের নাম। সবশেষ যে বোতামটি, সেটি 'নোটা'। অর্থাৎ ভোটে কোনও প্রার্থীকেই যিনি সমর্থন করতে চান না তিনি 'নোটা' বোতামে ভোট দেন। সেক্ষেত্রে যেকোনও বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রার্থী হওয়া প্রয়োজন ১৫। তবে এবার ভাঙড়ে ভোটে লড়ছেন রাজনৈতিক দলের ৭ জন প্রার্থী। নির্দল হিসাবে সেখানে ভোটে লড়ছেন ১২ জন। সবমিলিয়ে প্রার্থীর সংখ্যা ১৯। সুতরাং, সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং নির্দল প্রার্থী মিলিয়ে ইভিএমের সর্বোচ্চ বোতাম সংখ্যা পার হয়ে গিয়েছে। তার ফলে একটি ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা সম্ভব নয়। সে কারণে পাশাপাশি দু'টি ইভিএম রাখার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের।
বলে রাখা ভালো, কোচবিহার দক্ষিণ এবং করণদিঘিতে প্রার্থীর সংখ্যাও যথেষ্ট বেশি ছিল। সেক্ষেত্রে জোড়া ইভিএম ব্যবহারের হয়তো প্রয়োজন পড়তে পারত। তবে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং স্ক্রুটিনির পর প্রার্থীর সংখ্যা কমে যায়। আপাতত সেখানে প্রার্থী সংখ্যা ১৫। তার ফলে আর জোড়া ইভিএমের প্রয়োজনীয়তা নেই। বাংলার ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র ভাঙড়ে প্রার্থী সংখ্যা ১৯। তার ফলে এমন ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত কমিশনের। অতীত পরিসংখ্যান বলছে, গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এমন জোড়া ইভিএমের ব্যবহারের সাক্ষী হয়নি বাংলা। তবে চব্বিশের লোকসভা ভোটে কলকাতা দক্ষিণ এবং যাদবপুরে জোড়া ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছিল।
